এখনও প...">
এখনও পর্যন্ত গরমকাল আসেইনি। কিন্তু তাতেই যা পরিমাণ গরম পড়ছে তাতে এটুকু স্পষ্ট যে চৈত্র মাসে সকলের হাল বেহাল হতে চলেছে। আর এই গরমেই এমন অবস্থা হয় যে অনেকেরই সকালে ব্রেকফাস্ট করতে ইচ্ছে হয় না। উচ্চ তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা আমাদের ইচ্ছে কমিয়ে দেয়। তবে সকালের খাবার বাদ দেওয়া বা ভারী খাবার খাওয়া শরীরকে ক্লান্ত এবং দুর্বল করে দিতে পারে। তাই গরমে এমন হালকা ও পুষ্টিকর ব্রেকফাস্ট করা উচিত, যা শরীরকে স্বস্তি দেয় এবং হাইড্রেশন বজায় রাখে।
আর তার জন্যা আপনি বেছে নিতে পারেন দই ও ফলের সংমিশ্রণ। ঠান্ডা দইতে তাজা ফল যেমন স্ট্রবেরি, কলা বা আনারস মিশিয়ে খেলে এটি হজম সহজ করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখে। দইতে থাকা প্রোবায়োটিকস পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং স্বাভাবিক রকমের হজমে সাহায্য করে।
দ্বিতীয় বিকল্প হলো ওটসের হালকা পোরিজ। ঠান্ডা বা গরম জলে বা দই দিয়ে বানানো ওটস শরীরকে শক্তি দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখে। চাইলে এতে কিছু বাদাম ও মৌসুমী ফল মিশিয়ে নিলে স্বাদও বাড়ে এবং পুষ্টিও বাড়ে।
ব্রেকফাস্ট হিসেবে নেওয়া যায় সবুজ স্মুদি। পালং শাক, কাঁচা শসা, আপেল বা পেঁপে দিয়ে বানানো স্মুদি শরীরকে রিফ্রেশ করে। এতে প্রচুর জল এবং ভিটামিন থাকে, যা গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং ক্লান্তি দূর করে।
আরও একটি বিকল্প হচ্ছে ডাবের জল বা কোকোনাট ওয়াটার। সকালে এক গ্লাস ডাবের জল নিলে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের সমতা বজায় থাকে এবং গরমে হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে।
অন্তত একটি হালকা প্রোটিন যুক্ত ব্রেকফাস্টও রাখা উচিত। যেমন, ডিমের সেদ্ধ বা ফ্রাইড ডিম। ডিমে থাকা প্রোটিন শরীরকে শক্তি যোগায় এবং পেশীকে সুস্থ রাখে। গরমে সকালের হালকা খাবার, পুষ্টিকর এবং হাইড্রেটিং হওয়া জরুরি। এই ধরনের ব্রেকফাস্ট শরীরকে সতেজ রাখে, গরমে ক্লান্তি কমায় এবং সারাদিনের জন্য শক্তি যোগায়। তাই গরমের সকালে ভারী খাবার বা ফাস্টফুড বাদ দিয়ে এই প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর বিকল্পগুলো বেছে নিন।