নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল 'কালীঘাট তৃণমূল' অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। সূত্রের খবর, সঞ্চিতা দে-কে এবার হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। এর আগেও এই সঞ্চিতা ঘোষের নাম সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল। তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছিল। এমতাবস্থায় তাঁকেই ফের প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়ার নেপথ্যে কালীঘাট তৃণমূলের বড় পরিকল্পনা আছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
নন্দীগ্রাম বয়াল ২ এলাকার বাসিন্দা সঞ্চিতা। যদিও বর্তমানে তিনি তমলুকে থাকেন। বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা তিনি। কিন্তু, ২০১৪ সালের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর। অভিযোগ উঠেছিল চাকরি চুরির। পরে সেই মামলার জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শেষে শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপে চাকরি ফিরে পান সঞ্চিতা।
এমতাবস্তায় তৃণমূলের ভরাডুবির সময়েও কেন সঞ্চিতাকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিল দল তা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। যদিও এই বিষয়ে মমতা শিবিরের কারও তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, যেহেতু সঞ্চিতা এলাকার মেয়ে ও পরিচিত মুখ। তাই তাঁকেই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসাবে।
প্রসঙ্গত, হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর থেকে তৃণমূলের কোন শিবির প্রার্থী দেবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। বর্তমানে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋত শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানি অব্যাহত। কমিশনের বিচারে কার দখলে যাবে প্রতীক তা বর্তমানে লক্ষ টাকার প্রশ্ন। এই আবহেই বড় কাজ সেরে রাখল কালীঘাট শিবির। নন্দীগ্রামের প্রার্থী ঘোষণা করলেন তারা। এমতাবস্থা রেজিনগরে কোন শিবির প্রার্থী দেবে এখন সেটাই দেখার।