দিল্লির ব্রিকস মঞ্চে কোনঠাসা ইসলামাবাদ। পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় একত্রে সরব হল রাশিয়া-চিন-ইরান। পাশাপাশি যেকোন সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে সবাই একসঙ্গে গর্জে উঠবে বলেও আজ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশগুলি।
দিল্লি ঘোষণাপত্রে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অবস্থান স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থ সাহায্য, এবং সন্ত্রাসবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ধ্বংস করাই এখন ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশগুলির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে। এর মাধ্যমে ঘুরপথে ইসলামাবাদকেই কড়া বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
ব্রিকস মঞে যুবসমাজের চিন্তাধারার উপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে চরমপন্থী মনোভাব ও উগ্রবাদের প্রসার নিয়েও দেশগুলি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, কীভাবে দেশের যুবসমাজকে এই পরিস্থিতি থেকে বের করা যায় তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশষগুলি পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
তবে সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল – এবার ব্রিকসের মঞ্চ থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে চিন। পহেলগাঁও হামলার পর অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল বেজিং। শুধু তাই নয়, অস্ত্র-ড্রোন দিয়ে সাহায্যও করেছিল বেজিং। কিন্তু আজকের ব্রিকসের মঞ্চে সেই পুরনো ছবি বদলে কার্যত নতুন ইতিহাস তৈরি হল। প্রমাণিত হল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তে ক্রমেই এক হচ্ছে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো।