একঘেয়ে ঝড়-জল কাটিয়ে অবশেষে রোদের দেখা মিলেছে। আশ্বিনের পেঁজা তুলো মেঘে ঢেকেছে আকাশ। পুজোর আগে এই আবহাওয়াই ষোলো গুন আনন্দ বাড়িয়ে দেয়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী চার-পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ফলে পুজোর আগে এমনই ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে বলে আশা করা যায়। তবে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে এই ক'দিন।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ মায়ানমার উপকূলে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সোমবার থেকে উত্তর আন্দামান সাগরে তার প্রভাব পড়তে শুরু করবে। এর অভিমুখ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে। সেপ্টেম্বরের শেষে, বুধবার নাগাদ নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলের দিকে এগোতে পারে। তবে তার আঁচ বাংলায় পড়বে কিনা, তা এখনও এখনও স্পষ্ট না।
এদিকে বর্ষা বিদায় নিতে শুরু করেছে দেশ থেকে। বর্ষাকালীন রেখা এখন পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর-চণ্ডীগড়-মুজাফফরনগর-আলিগড়-উদয়পুর পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি বিহার থেকে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যা ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে গেছে। এই অবস্থায় দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট ক্রমশ কমবে। আগামী কয়েকদিন আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে, বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে কোনও কোনও জেলায়। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে।হাওয়া অফিসের মতে, সেপ্টেম্বরের বাকি দিনগুলোতেও বড় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টি থেকে রেহাই। সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি হতে পারে।