২ হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেনে গুনতে হবে না কোনও অতিরিক্ত চার্জ। গত সোমবার এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। কিন্তু তার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে মাশুল গুনতে হবে গ্রাহকদের। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলো। কটাক্ষ করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধীও।
এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে কংগ্রেস নেতা রাহুলের প্রশ্ন, '২,০০০ টাকার বেশি মার্চেন্ট ইউপিআই লেনদেনের ওপর এমডিআর আরোপ করা যাবে। যদিও এই লেনদেনগুলো মোট লেনদেনের মাত্র ৫ শতাংশ। তবুও এই সংখ্যাটি মোট ইউপিআই লেনদেনের মূল্যের প্রায় ৬৫%। সরকার বলছে গ্রাহকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়া হবে না। কিন্তু ব্যবসায়ীদের উপর যে মাশুল চাপবে, শেষ পর্যন্ত সেটি কোথা থেকে আসবে?'
গত সোমবার, কেন্দ্র একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে জানান হয়, দু’হাজার টাকা পর্যন্ত ইউপিআই লেনদেন এবং রুপে ডেবিট কার্ডে টাকাপয়সা আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে কোনও অতিরিক্ত মাশুল নেওয়া যাবে না। কিন্তু দু’হাজারের বেশি অঙ্কের লেনদেনে কী হবে? এই প্রশ্ন থেকেই গিয়েছিল। সরকারের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তির মূল বিষয় হল, নির্দিষ্ট কিছু ইলেকট্রনিক পেমেন্টের ক্ষেত্রে মাশুল আরোপের আইনি কাঠামো তৈরি করা। এর অর্থ এই নয় যে, ২,০০০ টাকার বেশি ইউপিআই লেনদেন করলেই গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হবে।
ফলে ২,০০০ টাকাকে কোনও নতুন সর্বোচ্চ সীমা নয় বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে অর্থ মন্ত্রকের এমন কোনও নিয়মও নেই, যেখানে বলা হয়েছে যে ইউপিআই পেমেন্টের পরিমাণ ২,০০০ টাকা পার হলেই গ্রাহকের ওপর স্বয়ংক্রিয় ভাবে কোনও চার্জ বা ফি বসবে। অর্থাৎ, ২,০০০ টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্ট করলেই চার্জ দিতে হবে— এমনটা মনে করে এখনও শঙ্কিত হওয়ার সময় আসেনি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।