সম্পর্ক যতই গভীর হোক, শয্যার অন্তরঙ্গ মুহূর্তে অনেক পুরুষই কিছু ইচ্ছা মুখে আনতে পারেন না। আকাঙ্ক্ষা থাকে, কল্পনা থাকে... কিন্তু সংশয়ও থাকে। সঙ্গিনী কী ভাবে নেবেন? ভুল বোঝাবুঝি হবে না তো? এমন নানা দ্বিধা থেকেই চুপ করে যান অনেকেই। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে পুরুষদের এমন ছ’টি অপ্রকাশিত বাসনার কথা, যা সত্যিই চমকে দিতে পারে।
প্রথমেই রয়েছে নিয়ন্ত্রণের প্রসঙ্গ। অনেক পুরুষই চান, সব সময় যেন তাঁদেরই উদ্যোগ নিতে না হয়। কখনও সঙ্গিনীই যেন শুরু করেন শরীরী খেলায় নেতৃত্ব দিয়ে... এতে সম্পর্কে নতুন রসায়ন তৈরি হতে পারে।
দ্বিতীয় বিষয়টি যৌনতার এক স্বাভাবিক অংশকে ঘিরে। কারও কারও মতে, সঙ্গিনী যদি কোনও কিছু করেন, সেটি যেন দায়সারা বা ‘উপকার’ মনে না হয়। বরং স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই তাঁদের বেশি তৃপ্তি দেয়।
তৃতীয় ইচ্ছা একটু দুষ্টু মেজাজের... অন্তরঙ্গ মুহূর্তে সঙ্গিনীর খোলামেলা বা সাহসী কথাবার্তা অনেক পুরুষের কামনা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এ কথা বলতেই সংকোচ!
চতুর্থ প্রসঙ্গে এসেছে একঘেয়েমি। দীর্ঘ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একই ভঙ্গি বা অভ্যাসে আটকে গেলে যৌনজীবন রুটিনে পরিণত হয়। নতুনত্বের আকাঙ্ক্ষা থাকলেও অনেকেই তা সরাসরি বলতে পারেন না।
পঞ্চম ইচ্ছা আরও সূক্ষ্ম... তৃপ্তির পর সঙ্গিনীর মুখে স্পষ্ট স্বীকৃতি বা প্রশংসা শুনতে চান অনেক পুরুষ। কিন্তু প্রশ্ন করতেও লজ্জা পান।
শেষ ইচ্ছাটি শারীরিক ঘনিষ্ঠতার এক বিশেষ রূপ নিয়ে... যা কল্পনায় থাকলেও মুখে বলতে সংকোচ তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ যৌনজীবনের চাবিকাঠি হল খোলামেলা যোগাযোগ। লজ্জা, ভয় বা দ্বিধা দূরে সরিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়া থাকলেই সম্পর্ক হয় আরও গভীর, আরও প্রাণবন্ত।