দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় বারবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উঠে এসেছে। তারই মধ্যে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। সূত্রের খবর, এমন পরিস্থিতিতে ওই বিশ...
দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় বারবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উঠে এসেছে। তারই মধ্যে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। সূত্রের খবর, এমন পরিস্থিতিতে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। যারা আদতে জম্মু-কাশ্মীরের বাসিন্দা। এমনই অনুমান তদন্তকারীদের। পাশাপাশি তদন্তকারীদের দাবি, যাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না তারা প্রত্যেকেই দিল্লি বিস্ফোরণ-কাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারী হতে পারে।' যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল দেশজুড়ে।
দিল্লি-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু চিকিৎসকের নামও জড়িয়েছে। যারা আদতে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেককেই গ্রেফতারও করা হয়েছে। এমনকি যে চারজন চিকিৎসকের নাম জড়িয়েছে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। অনেকেই বলেছেন, 'এই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় আদতে জঙ্গি তৈরির কারখানা হয়ে দাঁড়িয়েছে!'
জানা গিয়েছে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে গরমিলের হাদিশের তথ্য! এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকে গ্রেফতার করেছে ইডি অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট! জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয় আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। সেই মত মঙ্গলবার তদন্ত শুরু করে ইডি। একসঙ্গে প্রায় ২৫ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলে। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করার পরও সেভাবে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। শেষে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়!
প্রসঙ্গত, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জালিয়াতি এবং অনিয়মের দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আর্থিক কারচুপির অন্তর্ভুক্ত এই সমস্ত কিছুর তদন্ত করবে ইডি। সেখানে জোর করে জমি অধিগ্রহনের কোনও প্রমাণ মিললে সেই অবৈধ নির্মাণগুলিই ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হতে পারে বলেই প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।