দিল্লির পর এবার রাঁচি। সোমবার জেন-জি'দের 'বিধানসভা মার্চ' ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজপথ। ঝাড়খণ্ডের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে বিগত কয়েকদিন ধরেই দফায় দফায় আন্দোলন-প্রতিবাদ চলছে রাঁচিতে। আজ স...
দিল্লির পর এবার রাঁচি। সোমবার জেন-জি'দের 'বিধানসভা মার্চ' ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজপথ। ঝাড়খণ্ডের সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে বিগত কয়েকদিন ধরেই দফায় দফায় আন্দোলন-প্রতিবাদ চলছে রাঁচিতে। আজ সেই আন্দোলনেই নতুন ঝাঁজ দিতে বিধানসভা অভিযানের কর্মসূচি নেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেন অনশনকারী দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। কিন্তু বিধানসভার ভবনের ৩ কিলোমিটার আগেই তাদের আটকে দেয় পুলিস। পরে আবার ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে তাদের দিকে জলকামান ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।
ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে তিন দফার বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে পড়ুয়াদের। তাদের দাবি ছিল,নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত করাতে হবে সিবিআই-কে দিয়েই। সব ক’টি নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। পরীক্ষাপদ্ধতির সংস্কারও করাতে হবে। তবে এই তিন দাবির মধ্যে কোনও দাবিই মানেনি হেমন্তের সরকার। তার পরেই আন্দোলনকারীরা সোমবার পুরনো বিধানসভা থেকে নতুন বিধানসভা পর্যন্ত মিছিল করে যাওয়ার ডাক দেন। সেই মতো সোমবার হাতে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে মুখে স্লোগান দিতে দিতে এগোতে থাকেন পড়ুয়ারা। কিন্তু মাঝপথে ব্যারিকেড দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিস।
এরপর বিধানসভা কমপ্লেক্স থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে জগন্নাথ মন্দিরের কাছে আটকানো হয় আন্দোলনকারীদের। সেখানেই বসে পড়েন তারা। সেখানে অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে এসে যোগ দেন অনশনকারী ছাত্র দেবেন্দ্রনাথ। গত আট দিন ধরে অনশন করছেন তিনি। সূত্রের দাবি, এই ৮ দিনে ১০ কেজি ওজন কমেছে তাঁর।
এর মধ্যেই নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে হেমন্তের বাড়ির সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন বাবুলাল, আদিত্যেরা। পরে পুলিস এসে তাঁদের আটক করে ভ্যানে তোলে বলে অভিযোগ। ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চা বিধায়ক জয়রামকুমার মাহাতোর অভিযোগ, হেমন্তের সরকার পড়ুয়াদের দাবি মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী দীপিকা পাণ্ডে জানান, সরকার পড়ুয়াদের প্রায় সব দাবি মেনে নিয়েছে। নিয়োগ পদ্ধতিতে সংস্কার আনার ক্ষেত্রে পরিকল্পনাও রয়েছে।