ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া-র আগে নতুন করে যুক্ত হল 'বহুজন' শব্দবন্ধ। সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ, সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। যেখানে কাকলির ছবি সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ...
ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া-র আগে নতুন করে যুক্ত হল 'বহুজন' শব্দবন্ধ। সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ, সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন। যেখানে কাকলির ছবি সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে বহুজন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া-র নাম। এমনকি এই নতুন রাজনৈতিক দলে সমাজের পিছিয়ে সম্প্রদায়কে যুক্ত হওয়ার জন্যেও আহ্বান জানান হয়েছে। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, তবে কী ২০ জন সাংসদ মিলে তৈরি করা এনসিপিআই দলেও ফাঁটল ধরেছে? সেই সূত্রেই কী জন্ম নিল বহুজন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া?
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতাচ্যুত হয় তৃণমূল। আর তারপরেই দলের ২০ জন সাংসদ মিলে একটি নতুন দল তৈরি করে। রাতারাতি কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে গড়া ওই শিবিরে যোগ দিতে থাকেন রচনা, জুন, সায়নী-সহ ২০ জন তৃণমূলের সাংসদ। নতুন দলের নাম ঠিক করা হয় ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া। যদিও এখনও রাজনৈতিক দল হিসাবে মান্যতা পায়নি ওই কাকলিদের শিবির। এখনও বিদ্রোহী সাংসদদের নামের পাশে তৃণমূল কংগ্রেসই লেখা হচ্ছে। এবার সেই দলের অন্দরেও কি বিদ্রোহের মেঘ জমল?
বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। দলিত, মুসলিম, জনজাতি-উপজাতি, ওবিসি মানুষদের যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে বহুজন এনসিপিআই-তে। ফোন নম্বরও দেওয়া সমাজমাধ্যম পোস্টে দলিত, মুসলিম, জনজাতি-উপজাতি, ওবিসি মানুষদের যোগদানের আহ্বান জানিয়েছে বহুজন এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার জন্য। ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে যোগাযোগের জন্য। পোস্টে জানানো হয়েছে, দলীয় সমস্ত পদে দলিত, অতি অনগ্রসর শ্রেণি, মহাদলিত, মতুয়া ও নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের জন্য ২৫ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাকলি পুত্রের ব্যাখ্যা, এটা আলাদা নয়। বরং বলা ভালো, দলের একটি উইং বা শাখা কিংবা ট্রাস্ট। এই শাখা আদিবাসী, মুসলিম, তফসিলি উপজাতি, দলিতদের জন্য কাজ করবে।
প্রায় একই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কাকলি নিজেও। তাঁর কথায়, 'আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া সেল থেকেই এটা পোস্ট করা হয়েছে। নতুন দলে আমরা ২০ জন সাংসদ গত অধিবেশনেও কাজ করেছি এবং আগামিদিনেও কাজ করব। ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া সবাইকে নিয়ে চলবে। বিশেষ করে যারা সমাজে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, দলিত সম্প্রদায়, দলিত, মহিলা ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের নিয়ে চলবে।'