নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোমর বেঁধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। আর কোথায় কোথায় এমন 'পায়রার খোপ' হোটেল রয়েছে, তা জানতে দফায় দফায় চলছে তল্লাশি। এমতাবস্থায় শনিবার সকাল থেকে পুরসভা, দমকল ও নিউ মার্কেট থ...
নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোমর বেঁধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। আর কোথায় কোথায় এমন 'পায়রার খোপ' হোটেল রয়েছে, তা জানতে দফায় দফায় চলছে তল্লাশি। এমতাবস্থায় শনিবার সকাল থেকে পুরসভা, দমকল ও নিউ মার্কেট থানার যৌথ অভিযানে ২০টির বেশি হোটেলে তালা দেওয়া হয়েছে বলে খবর সূত্রের। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ১টি হোটেলকে শোকজ করেছিল দমকল।
নিউ মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এক রাতে কেড়ে নিয়েছে ৯টি তাজা জীবন। যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন বাংলাদেশের বাসিন্দা। ছিল এক শিশুও। কিন্তু কাদের গাফিলতিতে বলি গেল এত গুলো প্রাণ? ঘিঞ্জি বহুতলে কীভাবে গজিয়ে উঠেছিল একাধিক হোটেল? কারা দিয়েছিল অনুমতি? বর্তমানে এগুলোই লাখ টাকার প্রশ্ন। পুরসভার তথ্য বলছে, অধিকাংশ বাড়িই আবাসন, যেগুলিতে হোটেল ব্যবসার জন্য কোনও অনুমোদনই নেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, পুরসভার বৈধ কাগজপত্র নেই, নেই অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও। এমনকি জলের ব্যবস্থাও আছে নাম মাত্র। শনিবার এমনই কতগুলো হোটেলকে শোকজ করেছে দমকল ও পুলিস।
কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে, তা হল নিউ মার্কেট থানা, কলকাতা পুরসভা, দমকলের নাকের ডগায় এত গুলো বেআইনি হোটেল তৈরি হল কীভাবে? কেন অগ্নিকাণ্ডের পর টনক নড়ল পুলিস, দমকলের? শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটে হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে সেই প্রশ্নই আরও একবার উসকে দেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। মন্ত্রীর সাফ কথা, আর শোকজ করে কোনও লাভ নেই। সরাসরি সিল করা হবে। এর আগেও গোটা ঘটনায় পূর্বতন সরকার ও তৎকালীন প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে দুষেছিলেন মন্ত্রী। নাম না করে নিশানায় নিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিমকে। আজ আরও একবার সেই প্রসঙ্গই তুললেন মন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ফিরহাদ হাকিম অনুমতি দিতেন কীভাবে? আগে লিডারদের বাড়ি বাড়ি পারসেনটেজ পৌঁছে যেত। এখন আর টাকা দিয়ে বেনিয়মকে নিয়ম করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী।