সম্প্রতি ভারতের একটি মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল আমেরিকার তরফে। যেখানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং আকসাই চিনকে সেই মানচিত্রে দেখান হয়েছিল। কিন্তু আচমকাই চার দিনের মাথায় সেই মানচিত্র সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নে...
সম্প্রতি ভারতের একটি মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছিল আমেরিকার তরফে। যেখানে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং আকসাই চিনকে সেই মানচিত্রে দেখান হয়েছিল। কিন্তু আচমকাই চার দিনের মাথায় সেই মানচিত্র সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হল। সূত্রের খবর, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ওই মানচিত্রটি পোস্ট করার পরেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইসলামাবাদ। সম্ভবত পাকিস্তানের আপত্তির কারণেই সেই পোস্টটি মুছে ফেলা হয়েছে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
এই বিষয়ে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, 'ওই মানচিত্রটি সমাজমাধ্যমের কিছু জায়গায় পোস্ট করা হয়েছিল। আমরা মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁরা বুঝতে পারেন, ওই মানচিত্রটি ভুল।' তাঁর আরও সংযোজন, 'আন্তর্জাতিক মানচিত্রে পাকিস্তান এবং ভারতের এলাকাকে স্পষ্ট ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেটি রাষ্ট্রপুঞ্জের দ্বারা স্বীকৃত। যা রাষ্ট্রপুঞ্জের ওয়েবসাইটে দেখতে পাওয়া যাবে।'
উল্লেখ্য, গত ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত এবং আমেরিকা যৌথভাবে বাণিজ্য সমঝোতায় সম্মত হয়েছিল। আর তারপরেই আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধি দলের তরফে ভারতের মানচিত্রের একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। যেখানে সবুজ মানচিত্রের উপর হলুদ রেখায় গোটা কাশ্মীরকে দেখান হয়েছিল। যাকে কেন্দ্র করেই তুমুল আপত্তি তোলে ইসলামাবাদ।
প্রসঙ্গত, পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং আকসাই চিন ভারতেরই অংশ বলে একাধিকবার দাবি করে এসেছে নয়া দিল্লি। ভারতের আরও দাবি, ১৯৪৭ সালে কাশ্মীরের ওই অংশ পাকিস্তান জোর করে দখল করে নিয়েছিল। একইভাবে আকসাই চিনকেও লাদাখের পূর্বতম অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দেয় নয়াদিল্লি।