বাংলাদেশের নির্বাচনে জায়গায় জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি। খুলনার এক ভোটকেন্দ্রে জামাত কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে মৃত্যু এক বিএনপি নেতার। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। যদিও অশান্তির অভিযোগ অস্বী...
বাংলাদেশের নির্বাচনে জায়গায় জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি। খুলনার এক ভোটকেন্দ্রে জামাত কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে মৃত্যু এক বিএনপি নেতার। ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। যদিও অশান্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামাত। অন্যদিকে গোপালগঞ্জে এক ভোটকেন্দ্রের অদূরে ককটেল বোমা হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও তিনজন। আহতদের মধ্যে এক শিশু রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
জানা যাচ্ছে, এদিন সকালে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতা খুলনার একটি ভোটকেন্দ্রে জামায়েত ইসলামীর কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পরে বচসা থেকে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। সেই সময়েই জামাতের লোকেরা ওই বিএনপি নেতাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন বলে অভিযোগ। পরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে খবর।
অন্যদিকে আজ ভোট চলাকালীন গোপালগঞ্জের এক ভোটকেন্দ্রের অদূরে ককটেল বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। যার জেরে এক শিশু-সহ তিনজন জখম হয়েছেন বলে খবর মিলেছে। এই ঘটনায় ওই ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা উপপরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ ভোটদান হলেও মাঝে কিছু দুষ্কৃতী ভোটকেন্দ্রের অদূরে বোমা ছোড়ে। সেই বিস্ফোরণে আনসার বাহিনীর দুই সদস্য জখম হন। ঘটনায় এক শিশুও জখম হন বলে জানান তিনি।
বস্তুত নির্বাচনের দিন সকালেই সমস্ত দেশবাসীর উদ্দেশ্যে অভয়বার্তা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। সকলকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানের জন্য অনুরোধ করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেনাপ্রধানের আশ্বাসের পরেও একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটতে দেখা গেল সর্বত্র।