নিট কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে বিগত দেড় মাস দিল্লির যন্তর মন্তরে একটানা আন্দোলন করেছে সিজেপি। তাদের সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে অংশ নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। শুরু করেছিলেন অনশন। সিজেপির প্রতিটি দাবিকেই প্রথম ...
নিট কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে বিগত দেড় মাস দিল্লির যন্তর মন্তরে একটানা আন্দোলন করেছে সিজেপি। তাদের সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে অংশ নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। শুরু করেছিলেন অনশন। সিজেপির প্রতিটি দাবিকেই প্রথম থেকে সমর্থন জানিয়েছিলেন তিনি। এমতাবস্থায় কেন্দ্র যখন সিজেপির সব দাবিকে মান্যতা দিয়েছে তখনই কিছুটা দূরত্ব দেখা গেল সিজেপি এবং ওয়াংচুকের মধ্যে। বিশেষ করে সোনমের একটি বার্তা এই ধারণাকে আরও প্রকট করেছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্যই করেননি সিজেপি বা সোনম।
সোনমের কোন বার্তায় বিতর্ক?
সম্প্রতি কেন্দ্র সিজেপির তিন দাবি মেনে নেওয়ার পর অবস্থান প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ককরোচ'রা। এরপরেই সিজেপির কিছু উদযাপনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। যা নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। ভিডিয়োয় সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস-সহ বেশ কয়েক জনকে নাচানাচি করতে দেখা গিয়েছে। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে, জয়ের আনন্দেই উদ্যাপনে মেতেছেন তাঁরা। কিন্তু সেই উদযাপন মোটেও শোভনীয় নয় বলে মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। একইভাবে নিজের মত প্রকাশ করেছেন সোনম।
ওয়াংচুক মনে করেন, কোনও জয় বা সাফল্যের উদ্যাপন সম্মানের সঙ্গে হওয়া উচিত। সেখানে যেন সংযম, বিনয় এবং দায়িত্ববোধের প্রতিফলন থাকে। ওয়াংচুকের সংযোজন, প্রকৃত সাফল্যের বীজ শুধুমাত্র লক্ষ্য অর্জনের মধ্যে নিহিত নয়, বরং তা কী ভাবে স্বীকৃতি পায় সেটাও দেখা উচিত। যদিও এই বার্তা তিনি কাকে বা কাদের উদ্দেশে বলেছেন তা স্পষ্ট না। তবে সৌরভদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরেই তাঁর এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য যে কাকতালীয় নয়, তা বললে ভুল হবে না। এমতাবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কী, আন্দোলন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ওয়াংচুক এবং সিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে অদৃশ্য দেওয়াল উঠতে শুরু করেছে?