দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর হাতে। কীভাবে, কোথা থেকে আনা হয়েছিল ওই বিপুল পরিমান বিস্ফোরক, তার বেশ কিছু সূত্র উদ্ধার করেছে গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর...
দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর হাতে। কীভাবে, কোথা থেকে আনা হয়েছিল ওই বিপুল পরিমান বিস্ফোরক, তার বেশ কিছু সূত্র উদ্ধার করেছে গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, অনলাইন এবং অফলাইনের মাধ্যমে বিস্ফোরক মজুত করেছিলেন দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত চিকিৎসক উমন উন নবি। নিজের নাম পরিচয় গোপন করে মুম্বইয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিস্ফোরক তৈরি জন্য মিক্সড মেটাল অক্সাইড কিনেছিলেন তিনি।
এনআইএ সূত্রে খবর, উমর মুম্বই থেকে বিস্ফোরকের মশলা নিয়ে হরিয়ানার আল ফালহা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি ভাড়া বাড়িতে তা মজুত করেছিলেন। সেখানেই একটি ছোট গবেষণাগারও বানিয়েছিলেন তিনি। মুম্বই থেকে বিস্ফোরক আনার পাশাপাশি অনলাইনেও বিভিন্ন রাসায়নিক সামগ্রী মজুত করেছিলেন তিনি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, মুম্বইয়ের ব্যবসায়ীর সঙ্গে উমর নিজেই যোগাযোগ করেছিলেন। তাঁকে ২৫ হাজার টাকা অনলাইনে মেটান।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর তাঁর এক সঙ্গী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলকে নিয়ে গত বছর অগাস্ট মাসে গুজরাতের আহমেদাবাদে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করে পরদিনই আবার হরিয়ানায় ফিরে গিয়েছিলেন। এরপর সেই সমস্ত রাসায়নিক এক জায়গায় করে গবেষণা শুরু করেছিলেন তিনি। এমতাবস্থায় দিল্লির গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে সেই বিস্ফোরকের উপস্থিতি আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই গত ১৪ মে এই ঘটনায় ৭৫০০ পাতার একটি চার্জশিট আদালতে পেশ করেছে দিল্লি পুলিস।