তৃণমূলের শাসনকালে পেতেন জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনের পর পুরো ছবিটাই বদলে যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের সাংসদ সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের নিরাপত...
তৃণমূলের শাসনকালে পেতেন জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা। তবে ছাব্বিশের নির্বাচনের পর পুরো ছবিটাই বদলে যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের সাংসদ সহ অন্যান্য ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে পর্যালোচনার জন্য পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। তারপরেই প্রত্যাহার করা হয় অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা। একজন সাংসদ হিসেবে যতটুকু নিরাপত্তা প্রয়োজন, ততটুকু তাঁকে দেওয়া হয়। কিন্তু শনিবারে সোনারপুরে জনরোষের ঘটনা ঘটতেই রাতেই অভিষেককে এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার
শনিবার অভিষেকের কর্মসূচি ছিল ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহতদের বাড়িতে যাওয়া। এদিন সকালে কলকাতার বেলেঘাটা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর বিকেলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর। মাঝখানে কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সিআইডি-র নোটিস নিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোনারপুরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ঢোকার মুখেই শুরু হয় তুমুল উত্তেজনা। রাস্তায় কালো পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। ওঠে 'গো ব্যাক' স্লোগান। এর কিছু সময়ের মধ্যেই হাতের বাইরে বেরিয়ে যায় পরিস্থিতি। রীতিমত উত্তপ্ত জনতা হামলে পড়ে সাংসদের উপর। পরে পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে বের করা হয়।
উল্লেখ্য, সোনারপুরের জনরোষের ঘটনার আগে দুইজন নিরাপত্তারক্ষী ছিল তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার থেকে তিনজন নিরাপত্তারক্ষী পাবেন অভিষেক। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পুলিস ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে।