'আমরা সংযত। তাই তৃণমূলের কর্মীরা এখনও অক্ষত আছে...।' সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের উপর জনরোষের ঘটনায় বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার দলের মৃত কর...
'আমরা সংযত। তাই তৃণমূলের কর্মীরা এখনও অক্ষত আছে...।' সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের উপর জনরোষের ঘটনায় বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শনিবার দলের মৃত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। কিন্তু মাঝপথেই তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। চলে এলোপাথাড়ি মারধর, ছোড়া হয় ডিম, জুতো। যদিও এই গোটা ঘটনায় 'বিজেপির কেউ যুক্ত নয়' বলেই স্পষ্ট দাবি করেছেন শমীক।
এদিন শমীক আরও বলেন, 'ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের উপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের উপর করেছে, তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক-সাংসদরা এখনও এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনও দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে বলার সুযোগ পেতেন না।' এই সূত্রেই অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার মডেল তুলেও কটাক্ষ করেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, 'কীসের ডায়মন্ড হারবার মডেল? কেন ফলতায় প্রচারে আসেননি?'
শনিবার অভিষেকের কর্মসূচি ছিল ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহতদের বাড়িতে যাওয়া। এদিন সকালে কলকাতার বেলেঘাটা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর বিকেলে যান দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর। মাঝখানে কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সিআইডি-র নোটিস নিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সোনারপুরে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ ঢোকার মুখেই শুরু হয় তুমুল উত্তেজনা। রাস্তায় কালো পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। ওঠে 'গো ব্যাক' স্লোগান। এর কিছু সময়ের মধ্যেই হাতের বাইরে বেরিয়ে যায় পরিস্থিতি। রীতিমত উত্তপ্ত জনতা হামলে পড়ে সাংসদের উপর। পরে পুলিস ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে বের করা হয়।