অবশেষে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট প্রশ্ন ফাঁস এবং তার জেরে ককরোচ জনতা পার্টির লাগাতার আন্দোলন চলছিল বিগত এক মাস ধরে। দফায় দফায় উত্তেজনা বাড়ছিল রাজধানী জুড়ে। এ...
অবশেষে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট প্রশ্ন ফাঁস এবং তার জেরে ককরোচ জনতা পার্টির লাগাতার আন্দোলন চলছিল বিগত এক মাস ধরে। দফায় দফায় উত্তেজনা বাড়ছিল রাজধানী জুড়ে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার দুপুরে সমাজমাধ্যমে একটি বার্তা পোস্ট করে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন ধর্মেন্দ্র। জানান, গত ১০ দিনের ঘটনায় তিনি দুঃখিত।
আজ শনিবার, সরকারের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসার কথা ছিল ককরোচ পার্টির। কিন্তু তার আগে কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের দাবি ছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হলে আর কোনও আলোচনা বসবে না তাঁরা। পাশাপাশি পদত্যাগের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে আর আন্দোলন আরও দীর্ঘ হবে বলেও জানিয়েছিলেন ককরোচ পার্টির অন্যতম মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে তিনি জানিয়েছিলেন, 'ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবির সঙ্গে কোনও আপস করা যাবে না। সরকার যদি তাতে রাজি না থাকে, তা হলে নতুন করে আলোচনার কোনও মানে নেই।' এই দোলাচলের মধ্যেই নিজের পদ থেকে অবশেষে সরে দাঁড়ালেন ধর্মেন্দ্র।
এদিন ইস্তফার কথা ঘোষণা করে সমাজমাধ্যমে ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, 'ছাত্র, শিক্ষক এবং শিক্ষার সংস্কারে গত চার দশক ধরে আমি নিজেকে নিবেদন করে এসেছি। সবসময় বিশ্বাস করেছি, শক্তিশালী, দূরদর্শী শিক্ষাব্যবস্থাই একটা শক্তিশালী রাষ্ট্রের ভিত্তি হতে পারে। দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি, ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশাকে আমি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা করি। তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করা আমাদের সকলের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গীকার। দেশের সেবা করার সুযোগ আমি পেয়েছি, তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।'