স্কুল পড়ুয়াদের হাতে এসইউভি গাড়ি। গাড়ি চালাচ্ছেন এক তাদের মধ্যে একজন। ঝড়ের গতিতে ছুটছিল চার চাকা। ঘন্টায় ১৬০ কিমি বেগে গান চালিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছিল ছয় বন্ধু। এর মধ্যেই ঘটে যায় বড় দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয় প্...
স্কুল পড়ুয়াদের হাতে এসইউভি গাড়ি। গাড়ি চালাচ্ছেন এক তাদের মধ্যে একজন। ঝড়ের গতিতে ছুটছিল চার চাকা। ঘন্টায় ১৬০ কিমি বেগে গান চালিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছিল ছয় বন্ধু। এর মধ্যেই ঘটে যায় বড় দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয় প্রত্যেকের। মৃতদেহ গুলো কার্যত দলা পাকিয়ে গিয়েছিল বলে জানা যায়। ঠিক কী হয়েছিল?
জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ব্যাঙ্গালুরুর। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রথমে গাড়িটি ঝড়ের বেগে ছুটে একটি বাইকে ধাক্কা দেয়। তীব্র গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সেই বাইকচালকের। এরপর স্থানীয়রা গাড়িটিকে ধরার আগেই সেটি পালিয়ে যায়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিসে। এরপরেই ওই দ্রুতগতির গাড়িটিকে ধরতে পিছু নেয় পুলিস। কিন্তু তার আগেই চার চাকাটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পুলিস সূত্রে জানা যায়, গাড়ির গতি এত বেশি ছিল যে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। অভিঘাত এতটাই জোরালো ছিল যে, গাড়িটি কার্যত লরির নীচে ঢুকে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ধাক্কার জেরে ট্রাকটিও উল্টে যায় বলে খবর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ছয় পড়ুয়ার।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এসইউভি-তে থাকা সকলেই স্কুলপড়ুয়া ছিল। দুর্ঘটনার জেরে মৃতদেহ গুলো দলা পাকিয়ে গিয়েছিল। এমনই ভয়ানক অবস্থা ছিল যে গ্যাসকাটার দিয়ে গাড়ি কেটে দেহগুলি উদ্ধার করতে হয়েছিল। মৃতরা হল, আহরাম শরিফ, অশ্বিন নায়ার, এথান জর্জ, আয়ান আলি, ভরত, মহম্মদ ফারহান। প্রত্যেকেই দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।