কেন্দ্রের নয়া ইউপিআই নির্দেশিকা নিয়ে শোরগোল পরে গিয়েছে দেশজুড়ে। তার মধ্যে আগুনে ঘি ঢালার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর কথায়, মার্কিন চাপের মুখে পড়ে কেন্দ্রের মোদী সরকার ইউপিআই লেনদে...
কেন্দ্রের নয়া ইউপিআই নির্দেশিকা নিয়ে শোরগোল পরে গিয়েছে দেশজুড়ে। তার মধ্যে আগুনে ঘি ঢালার চেষ্টা করছে কংগ্রেস। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর কথায়, মার্কিন চাপের মুখে পড়ে কেন্দ্রের মোদী সরকার ইউপিআই লেনদেন নিয়ে এই নির্দেশিকা দিয়েছে। এই অবস্থায় বিরোধীদের দাবিকে নস্যাৎ করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে সাফ জানানো হল, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোনও বিদেশি প্রভাব ছিল না। ভারত স্বাধীনভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সম্প্রতি 'পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট'-এ সংশোধনী পাশ হয়েছে বাদল অধিবেশনে। ওই সংশোধনী অনুযায়ী, এবার থেকে ২ হাজার টাকার বেশি ইউপিআই লেনদেনে ফি আরোপ করা হবে। অনলাইন লেনদেনের উপর এমডিআর বসানো হবে। এই এমডিআর তথা মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বিষয়টি ২০২০ সালের পর থেকে আর ভারতের বাজারে কার্যকর ছিল না। সেসময় থেকেই ভারতে অনলাইন লেনদেনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। এবার সেই এমডিআর পদ্ধতি ফের কার্যকর করছে কেন্দ্র।
অন্যদিকে এই নির্দেশিকা সামনে আসতেই উল্টো সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। তাদের দাবি করে, এটা স্রেফ পথ তৈরি করা হল আগামী দিনে সমস্ত অনলাইন পেমেন্টে ফি বসানোর জন্য। বিরোধী দলনেতা রাহুলের তোপ, 'মার্কিন সংস্থাগুলি ভারতের এমডিআরমুক্ত ব্যবস্থার বিরোধিতা করে এসেছে দীর্ঘদিন। এবার মার্কিন চাপের মুখে নতিস্বীকার করলেন প্রধানমন্ত্রী।' কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কথায়, ব্যবসায়ীদের উপর কর বসানো হলে সেটা শেষ পর্যন্ত আমজনতার পকেট থেকেই উশুল হবে সেটা কেন্দ্র অবশ্যই জানে।
যদিও কংগ্রেসের এই দাবিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্র। অর্থমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, 'কেউ কেউ দাবি করছেন যে ইউপিআই লেনদেনে ফি বসানোর বিষয়টি বাহ্যিক চাপের জের। কিন্তু এই কথার সত্য়তা নেই। ভারত স্বাধীনভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছ অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থার স্বার্থে।' মূলত ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবস্থাকে শক্তিশালী এবং নিরাপদ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের অর্থ মন্ত্রক।