রাজ্যের অনুমোদিত মাদ্রাসায় শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর সম্মানিক প্রদানের ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন। এতদিন পর্যন্ত যে পদ্ধতিতে তাঁদের সাম্মানিক প্রদান করা হত, সেই পদ্ধতিতে এবার বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। মূ...
রাজ্যের অনুমোদিত মাদ্রাসায় শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর সম্মানিক প্রদানের ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন। এতদিন পর্যন্ত যে পদ্ধতিতে তাঁদের সাম্মানিক প্রদান করা হত, সেই পদ্ধতিতে এবার বদল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। মূলত, বেনিয়ম রুখতে ও সাম্মানিক প্রদান স্বচ্ছ রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে খবর সূত্রের।
এতদিন পর্যন্ত মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর ট্রেজারির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের সাম্মানিক দিতেন। কিন্তু এবার সেই পদ্ধতিতেই বদল আনছে সরকার। জানা যাচ্ছে এবার থেকে জেলা সংখ্যালঘু আধিকারিকের মাধ্যমে সেই সাম্মানিক প্রদান করা হবে। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুমোদিত ৬০১টি আন-এডেড মাদ্রাসার ৪,৫৩৩ জন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীর সম্মানিক প্রদান এবার থেকে এই নতুন পদ্ধতিতেই চলবে। যা এতদিন DME/ট্রেজারির মাধ্যমে DBT-এর মাধ্যমে সরাসরি করা হত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে প্রতি মাসে এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যাচাই করা সম্ভব হয় না। ফলে, সাম্মানিক প্রদানের ক্ষেত্রে অনেক অযোগ্য টাকা পেয়ে যাচ্ছেন। তাই এবার সেই রাস্তা বন্ধ করতেই অনুমোদিত আন এডেড মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের সাম্মানিক দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো জেলা সংখ্যালঘু আধিকারিকদের। জানা যাচ্ছে, এবার থেকে প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকরা নিজের জেলার মাদ্রাসা যাচাই করবে। নিয়মিত সেখানে পঠন-পাঠন হচ্ছে কিনা, শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন কিনা, যাচাই করা হবে তাও। পাশাপাশি দেখা হবে স্কুল গুলিতে ছাত্রছাত্রীরা ঠিকমত আসে কিনা। এরপর ওই যাচাইয়ের তথ্য দিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেই রিপোর্টের ভিত্তি করেই সাম্মানিক পাবেন যোগ্য ব্যক্তিরা। জানা যাচ্ছে ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই এই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে সরকারের তরফে।