মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আবহে ওমানের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি 'সেপা' কার্যকর করল নয়া দিল্লি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ওমানের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হলে আখেরে ভারতের লাভ হবে। কারণ ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের জ...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আবহে ওমানের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি 'সেপা' কার্যকর করল নয়া দিল্লি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ওমানের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হলে আখেরে ভারতের লাভ হবে। কারণ ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে তথৈবচঃ অবস্থা হরমুজ প্রণালীর। যার জেরে ব্য়াহত হচ্ছে অশোধিত তেলের আমদানি-রপ্তানি ব্যবস্থা। এই অবস্থায় বিকল্প পথ হিসাবে রয়েছে আরব সাগর ঘেঁষা ওমান উপকূল। এমতাবস্থায় ওমানের সঙ্গে বাণিজ্য আরও মসৃণ হলে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে বহু পণ্যের লেনদেন আরও সহজ হবে।
গত বছর ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওমান সফরে গিয়েছিলেন। সেই সময়েই দুই দেশের মধ্য়ে এই চুক্তি সই হয়েছিল। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য়মন্ত্রী সমাজমাধ্য়মে একটি পোস্ট করে জানান, 'এই চুক্তি ভারতের অর্থনীতিতে নতুন জোয়ার আনবে। দেশের ছোট ও মাঝারি শিল্প, কৃষক, মৎস্যজীবী এবং কারিগরদের তৈরি পণ্যের জন্য বিদেশের বাজার খুলবে। ফলে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে।'
জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির ফলে ওমানে ভারতের প্রায় ৯৯ শতাংশ রপ্তানি পণ্যের উপর আর কোনও কর লাগবে না। যার মধ্য়ে পড়বে, জামাকাপড়, সোনাদানা, চামড়ার জুতো, ওষুধ, প্লাস্টিক এবং গাড়ির মতো শ্রমনিবিড় শিল্পগুলি। এইসব গুলোই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় পড়বে। ফলে ওমানের বাজারে ভারতীয় পণ্যের বিক্রি ও জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়বে। পাশাপাশি ভারত ওমান থেকে যে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল, রান্নার গ্যাস এবং সার আমদানি করে, সেগুলির ক্ষেত্রেও ভারত সরকার কর তুলে দেবে বা কমিয়ে দেবে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।