ফের একবার সিআইডির হাজিরা এড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় জাল সই-কাণ্ডে আজ অর্থাৎ সোমবার তাঁকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু সাংসদ তাঁর দিল্লি সফরকে সামনে রেখে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন বলে খবর সূত্রের।...
ফের একবার সিআইডির হাজিরা এড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় জাল সই-কাণ্ডে আজ অর্থাৎ সোমবার তাঁকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু সাংসদ তাঁর দিল্লি সফরকে সামনে রেখে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন বলে খবর সূত্রের। পাশাপাশি তিনি সিআইডি আধিকারিকদের মেইল করে সেই কথা আরও কিছুটা সময় চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে তৃণমূল বিধায়কদের 'সই-জাল' কাণ্ডকে সামনে রেখে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। এমতাবস্থায় তৃণমূলের দুই বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার সচিব এফআইআর দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। এই মামলায় গত ৩০ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ দিয়ে তলব করেছিল সিআইডির গোয়েন্দারা। কারণ 'বিতর্কিত' সই গুলোর মধ্যে একটি সই ছিল তাঁর।
তবে তার মধ্যেই সোনারপুরে মৃত দলীয় কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে ব্যাপকভাবে জনরোষের মুখে পড়তে হয় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। ফলে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে প্রথম তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন সাংসদ। ভবানী ভবনে হাজিরার জন্য ১৫ দিন সময় চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ৭ দিনের মধ্যে অর্থাৎ আজ হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমতাবস্থায় আজও হাজিরা এড়িয়ে দিল্লি ছুটলেন অভিষেক।
অন্যদিকে গত বুধবার গ্রেফতারির আশঙ্কায় আগেভাগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। জাল-সই কাণ্ডে সিআইডি যেন তাঁকে গ্রেফতার করতে না পারে, তার জন্য আগে থেকেই রক্ষাকবচ চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। যার সম্ভাব্য শুনানি আগামী ১০ জুন। বলে রাখা ভালো, বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন অভিষেক। সঙ্গে রয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁদের বিশেষ বৈঠক রয়েছে সেখানে। আজ সেই কথা জানিয়েই সিআইডিকে মেইল করেছেন অভিষেক। এই অবস্থায় সাংসদ আবেদনে তদন্তকারীরা কী পদক্ষেপ নেবেন, তার দিকেই থাকবে নজর।