দিনের পর দিন তৃণমূল কাউন্সিলরের অত্যাচার। তোলাবাজি ও হুমকির চাপে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন ব্যবসায়ী। অবশেষে সেই অত্যাচার থেকে রেহাই। গ্রেফতার কামারহাটি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোজ সাউ।...
দিনের পর দিন তৃণমূল কাউন্সিলরের অত্যাচার। তোলাবাজি ও হুমকির চাপে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন ব্যবসায়ী। অবশেষে সেই অত্যাচার থেকে রেহাই। গ্রেফতার কামারহাটি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোজ সাউ। তাঁর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পড়েছে থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর সূত্রের।
তৃণমূল জমানা শেষ হতেই এমন কয়েকশো অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছে বহু কাউন্সিলর-সহ তৃণমূলের ছোট, বড়ো নেতা। এই অবস্থায় সেই তালিকায় নাম জুড়ল কামারহাটি পুরসভার। অভিযোগ, ওই পুরসভা এলাকার বাসিন্দা চিরঞ্জিত কুমার গাতাইত, তাঁকে দিনের পর দিন হুমকি দেওয়া হত। মোটা টাকা তোলা দিতেও বাধ্য করা হত। আর এই সবটাই চলত অভিযুক্ত মনোজ সাউ-এর নেতৃত্বে। এখানেই শেষ না। বন্ধ কারখানার জমিতে থাকা দোকান ঘর বিক্রি এবং ড্রেনের উপর বেআইনি দোকান নির্মাণ করে তা বিক্রির অভিযোগও রয়েছে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে।
এমতাবস্থায় রাজ্যে বদল হতেই এই যাবতীয় অভিযোগের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ।রবিবার রাতে সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় মনোজ ও তাঁর এক সাগরেদকে। এই ঘটনায় পুলিস ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিযোগকারী ব্যবসায়ী। এলাকার বিজেপি নেতা ও পেশায় আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের দাবি, ধৃতের বিরুদ্ধে ১৮৫ জন অভিযোগ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের একটির ভিত্তিতেই পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিস।