দিল্লির অদূরে লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যে জঙ্গি যোগ আছে, তা আগেই ধারণা করা গিয়েছিল। এবার এই ঘটনায় পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে ব...
দিল্লির অদূরে লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যে জঙ্গি যোগ আছে, তা আগেই ধারণা করা গিয়েছিল। এবার এই ঘটনায় পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলেছে বলে রিপোর্ট পেশ করল রাষ্ট্রপুঞ্জ নিরাপত্তা পরিষদ। আর সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই নিরাপত্তা পরিষদের কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে নয়া দিল্লি।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার রাতে এই বিষয়ে জানিয়েছেন, 'আমরা দেখেছি যে তারা (নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষক দল) আমাদের দেওয়া তথ্য গ্রহণ করেছে। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিষয়ে আমাদের উদ্বেগ এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইকে কী ভাবে শক্তিশালী করা যায় সে সম্পর্কে ভারতের অবস্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে।' পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদের আল কায়দা, আইএস নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ১২৬৭ কমিটির পর্যবেক্ষণ দলের ৩৭তম রিপোর্টে আরও জানান হয়েছে, 'একটি সদস্যরাষ্ট্র উল্লেখ করেছিল যে, জইশ-ই-মহম্মদ একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে। ৯ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লায় হামলার সঙ্গেও এটি জড়িত বলে জানা গিয়েছে। ওই সন্ত্রাসবাদী হামলায় ১৫ জন নিহত হয়েছিলেন।'
একই সঙ্গে ১২৬৭ কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত ৮ অক্টোবর জইশ প্রধান মাসুদ শুধুমাত্র মহিলাদের নিয়ে একটি জঙ্গি শাখা সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করে। যার নাম দেওয়া হয়েছিল জামাত উল-মুমিনাত। যার লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদ হামলা ছড়িয়ে দেওয়া। ঘটনাচক্রে দিল্লি বিস্ফোরণের ঠিক আগের দিন লখনউ থেকে শাহিন সিদ্দিকি নাম এক মহিলা চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়। চাঞ্চল্যকরভাবে ওই মহিলার সঙ্গে জইশের যোগাযোগ ছিল বলে ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তে উঠে এসেছে।