বাবার চিতাভষ্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার আর্জি জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন নেতাজিকন্যা অনিতা বসু পাফ। তাঁর সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাইল আদালত। পাশাপাশি একটি নোটিসও দেওয়া হয়েছে...
বাবার চিতাভষ্ম ভারতে ফিরিয়ে আনার আর্জি জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন নেতাজিকন্যা অনিতা বসু পাফ। তাঁর সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাইল আদালত। পাশাপাশি একটি নোটিসও দেওয়া হয়েছে মোদী সরকারকে।
আজ, মঙ্গলবার অনিতার প্রবীণ আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতে জানান, টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত নেতাজির চিতাভস্ম দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নয়া দিল্লি উদাসীন। তারা কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এমতাবস্থায় আদালতে অনিতার আবেদন, রেনকোজি মন্দিরে ১৯৪৫ সাল থেকে নেতাজির যে চিতাভস্ম সংরক্ষিত রয়েছে তা অবিলম্বে ভারতে ফিরিয়ে আনা হোক। যাতে মর্যাদাপূর্ণভাবে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা যায়। এরপরেই আদালতের তরফে কেন্দ্রের কাছে তাদের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠায় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
বলে রাখা ভালো, অনেকেই মনে করেন ১৯৪৫ সালের ১৮ অগাস্ট বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে নেতাজির। তাঁর চিতাভস্ম বর্তমানে জাপানের রেনকোজির একটি বৌদ্ধ মন্দিরে রাখা রয়েছে। যদিও বিমান দুর্ঘটনার এই তত্ত্ব মানতে নারাজ অনেকেই। তবে সম্প্রতি নেতাজিকন্যা অনিতা জানিয়েছেন, 'বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু নিয়ে বেশিরভাগ নথি এবং অন্তত ১১টি তদন্ত রিপোর্ট হাতে এসেছে। তাই তাইপেইয়ের বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু মেনে নেওয়াই উচিত।' ওই চিতাভস্ম যে সুভাষেরই, তা প্রমাণে ডিএনএ নমুনা দিয়ে সাহায্য করতে তাঁর অঙ্গীকারের কথাও বলেছিলেন অনিতা।