সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর দায়ের করা SIR মামলার শুনানিতে কার্যত ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল কমিশনকে। নামের বানান-সহ বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক নিয়ে যেভাবে আমজনতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে, তা নিয়ে আজ বিরক্তি প্রকাশ ক...
সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর দায়ের করা SIR মামলার শুনানিতে কার্যত ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল কমিশনকে। নামের বানান-সহ বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক নিয়ে যেভাবে আমজনতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে, তা নিয়ে আজ বিরক্তি প্রকাশ করলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। আজ শুনানিতে আদালতের তরফে পরিষ্কার জানান হয়েছে, রাজ্যে SIR প্রক্রিয়ায় মাইক্রো অবর্জাভাররা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও এবং এইআরওরাই। এক কথায় মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতেই সিলমোহর দিল শীর্ষ আদালত।
গত বুধবার রাজ্যে SIR প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-সহ একাধিক বিষয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে সওয়াল করেছিলেন তিনি। আজও সেই একই অভিযোগকে হাতিয়ার করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ৮,৫০০ জন কর্মী দিয়েছে কমিশনকে সে কথাও আদালতে জানান তিনি। এরপরেই তালিকা নিয়ে সমস্যার কথা তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বলেন, 'কর্মী দিয়েছেন। তাঁদের নামের তালিকা আছে? আমরা বলেছিলাম বাংলা জানেন এমন কর্মী প্রয়োজন।' তার উত্তরে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী জানান, জেলাভিত্তিক বিবরণ দেওয়া হয়েছিল। তবে কমিশনের আইনজীবী বলেন, সেই তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছোয়নি। তাতেই প্রধান বিচারপতি বলেন, 'এই বিষয়ে বিতর্ক চাই না। নামের তালিকা নিয়ে সমস্যা চলতে থাকে এবার আমাদের মুখ্যসচিবের কাছে হলফনামা চাইতে হবে।'
এদিন শুনানি চলাকালীন, মাইক্রো অবর্জাভারদের কাজ সম্পর্কে জানতে চান প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তার উত্তরে কমিশন জানায়, এইআরও ও ইআরওদের সহযোগিতার জন্য তাদের নিয়োগ করা হয়েছে। তবে নাম বাতিল বা বিবেচনার ক্ষেত্রে তাদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে না। এরপরেই প্রধানবিচারপতি বলেন, ইআরও এবং এইআরও-ই নেবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মাইক্রো অবর্জাভারদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কোনও অধিকার নেই।