দেশের রাজধানীতে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রশ্ন উঠেছিল, জেন-জি কি পড়শি দেশের নৈরাজ্যময় পথেই চলেছে?এদিন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “এটা পাকিস্তান বা বাংলাদেশ ন...
দেশের রাজধানীতে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রশ্ন উঠেছিল, জেন-জি কি পড়শি দেশের নৈরাজ্যময় পথেই চলেছে?
এদিন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “এটা পাকিস্তান বা বাংলাদেশ নয়, এটা ভারতবর্ষ”।
ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-এর প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র দেশের রাজধানী রীতিমতো উত্তপ্ত। যার আঁচ পড়েছে বিহার থেকে শুরু করে কলকাতা শহরেও। জেন-জ়ি-র বিক্ষোভ সর্বত্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের চোখও এখন দিল্লির দিকে। এমতাবস্থায়, নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা এমন একটি আইন সংশোধনে অনুমোদন দিল, যা কার্যকরী হলে প্রশ্ন-ফাঁসের দুষ্টচক্রের বিনাশ অবশ্যম্ভাবী। অন্তত তেমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
এদিন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজেজু জানান, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এবার সংসদে এই বিল পেশ হবে। এই বিল আইনে পরিণত হলে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার ১০ বছর পর্যন্ত জেল ও ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হবে।
রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের প্রতিক্রিয়া, “কংগ্রেস ঘোলাজলে মাছ ধরতে পারবে না। রাহুল গান্ধীকে দেশের মানুষ সিরিয়াসলি নেয় না। তাছাড়া, শুধু গান্ধী পরিবার দেশে রাজত্ব চালাবে, তা মানুষ চায় না। পারিবারিক রাজত্ব মানুষ চায় না। যাদেরকে নিয়ে এই আন্দোলন, তারা যা বোঝার বুঝে গিয়েছে। আন্দোলনের মুখ সোনম ওয়াংচুঘও বুঝে গিয়েছেন। সংসদের প্রতি কোনও আস্থা নেই রাহুল গান্ধীর। এটা পাকিস্তান বাংলাদেশ নয়। এটা বাংলাদেশ”।
প্রসঙ্গত, অনশন ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন সোনম ওয়াংচুঘ। যা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। রাজধানীর রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ বলছে, ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে কংগ্রেস। যদিও, এই নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছেন পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ।