ইরান যুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। বিপর্যস্ত হয়েছিল পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল। যার প্রত্যক্ষ আঁচ পড়েছিল ভারতের উপরও। আন্তর্জাতিক বাজারে বহুগুন বেড়েছিল জ্বালানি মূল্য। ত...
ইরান যুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হরমুজ প্রণালী। বিপর্যস্ত হয়েছিল পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল। যার প্রত্যক্ষ আঁচ পড়েছিল ভারতের উপরও। আন্তর্জাতিক বাজারে বহুগুন বেড়েছিল জ্বালানি মূল্য। তবে সেই যুদ্ধ আবহে শান্ত থেকে গোটা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছিল কেন্দ্রের মোদী সরকার। কোনোভাবেই যেন জ্বালানির ঘাটতি না তৈরি হয়, তাও নিশ্চিত করা হয়েছিল। কিন্তু কোন উপায়ে সেই অসাধ্য সাধন হল? জানালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
শনিবার রাজস্থান সফরে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে একগুচ্ছ নয়া প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন তিনি। এরপর সেখানেই বক্তব্য রাখার সময় হরমুজ সঙ্কট ও তার মোকাবিলার উপায় জানান তিনি। বলেন, 'জ্বালানি সংকট শুরুর আগে ভারত প্রায় ২৫ থেকে ২৬টি দেশ থেকে থেকে জ্বালানি আমদানি করত। কিন্তু সংকট শুরুর পর আমদানি সংখ্যা দ্বিগুন করা হয়। ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে ভারত জ্বালানি আমদানি শুরু করে। কূটনৈতিক সাফল্যের জন্যই এটি সম্ভব হয়েছে।' তিনি এদিন আরও জানান, 'বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির ফলে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে তেল সংস্থাগুলির ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই বোঝা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল। আমরা প্রতি লিটারে আবগারি শুল্ক ১০ টাকা কমিয়েছিলাম। নিশ্চিত করেছিলাম যাতে নাগরিকদের উপর বোঝা না বাড়ে।'
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, সঙ্কটকালে অনেকেই গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সরকারের সফলতায় তারা ব্যর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি সঙ্কট মোকাবিলার নেপথ্যে ভারতের কূটনৈতিক সফলতার কথাও তুলে ধরেছেন মোদী। তাঁর কথায়, 'ইরান, আমেরিকা, ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ছাড়াও সার সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটেছিল। কিন্তু ভারতের দীর্ঘমেয়াদী নীতিগুলিই দেশকে বাঁচিয়েছে।'