বাংলায় মহাবিপর্যয়ের পর বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দল কার্যত হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সাধের ঘাসফুল প্রতীকটুকুও তাঁর হাতে থাকবে কি না সন্দেহ। বঙ্গে ঋতব্রত-তৃণমূল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে-সঙ্...
বাংলায় মহাবিপর্যয়ের পর বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দল কার্যত হাতছাড়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সাধের ঘাসফুল প্রতীকটুকুও তাঁর হাতে থাকবে কি না সন্দেহ। বঙ্গে ঋতব্রত-তৃণমূল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে-সঙ্গেই দিল্লিতে ঘাসফুল শিবিরের সংসদীয় দলে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়ে দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তোপ দাগতে শুরু করেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর পথ অনুসরণ করে কোয়েল মল্লিক পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন। অন্যদিকে, লোকসভায় বিদ্রোহ শুরু করেছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার। যে-বিদ্রোহের সর্বশেষ আপডেট: সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত দলনেত্রীর হাত ছেড়ে বিদ্রোহী ব্লকে যোগ দিয়েছেন।
এদিন বিমানবন্দর থেকে কাকলি দাবি করেন, বিদ্রোহীদের তালিকা আরও বাড়বে। লোকসভার ২২ জন সাংসদ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। প্রসঙ্গত, এদিন দিল্লির বিমানবন্দরে দেখা যায় সদ্য অপসারিত যুব তৃণমূল নেত্রী সায়নী ঘোষকেও!
সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, মালা রায়, সায়নী ঘোষ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, অরূপ চক্রবর্তী, শর্মিলা সরকার, পার্থ ভৌমিক, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। আরও দুই সাংসদ সেখানে আসছেন বলে খবর। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও রয়েছেন ওই বৈঠকে। সেখান থেকেই সরাসরি স্পিকারের কাছে যেতে পারেন বিদ্রোহী সাংসদরা। স্পিকারের হাতে তাঁদের সই-করা চিঠি ধরিয়ে দিয়ে বিদ্রোহীরা দাবি করবেন, লোকসভায় অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে তাঁরা আর দলনেতা হিসেবে মানতে চান না। এবং, আগামী দিনে এনডিএ-জোটকেই তাঁরা সমর্থন করবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলে, এদিন নৈশভোজেই বিদ্রোহীরা সবাই জয় সেলিব্রেট করবেন। রাজধানীর রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জুলাই মাসে সংসদের বাদল অধিবেশনে এবার একটু বেশিই ঝড়-বাদল হবে।