শাসনের নামে অত্যাচার! পড়া না পারার অপরাধে কিল, চড়, ঘুষি মেরে নির্মম মারধর খুদে পড়ুয়াকে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ফাঁস গৃহশিক্ষকের সেই অত্যাচারের ভিডিও। ঘটনাটি ঘটেছ দুর্গাপুরের অন্ডালের খনি এলাকায়। ছাত্রটির...
শাসনের নামে অত্যাচার! পড়া না পারার অপরাধে কিল, চড়, ঘুষি মেরে নির্মম মারধর খুদে পড়ুয়াকে। সোশ্যাল মিডিয়াতে ফাঁস গৃহশিক্ষকের সেই অত্যাচারের ভিডিও। ঘটনাটি ঘটেছ দুর্গাপুরের অন্ডালের খনি এলাকায়। ছাত্রটির পরিবারের লোকজন অন্ডাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘটনাটি ভাইরাল হওয়ার পরই সমালোচনার ঝড় দুর্গাপুর অন্ডালের খনি এলাকায়। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সিএন ডিজিটাল।
ভিডিওতে দেখা গেছে পড়া না পাড়ায় প্রথমে গালে সজোড়ে একটার পর একটা চড়, তারপর শিশুটিকে উল্টে দিয়ে পিঠে একের পর এক চড় ও পরে ঘুষি। গৃহশিক্ষক যখন শিশুটিকে মারছিলেন , তখন শিশুটি চিৎকার করে কেঁদে ওঠে। তার কান্নার আওয়াজ কিন্তু পৌঁছয় না নির্দয় গৃহশিক্ষকের। শেষে উপর থেকে মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে বসিয়ে দেওয়া হয় ছাত্রটিকে। যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আবারও চিৎকার করে কেঁদে ওঠে ছেলেটি। কিন্তু শিক্ষকের মুখ ভাবলেশহীন। যেন কিছুই ঘটে নি। এই ঘটনাটি যখন ঘটছিল তখন সেখানেই পড়তে যাওয়া এক নবম শ্রেণীর ছাত্র তার ফোনে ভিডিও করে। কারণ তার দাবি তাদের গৃহশিক্ষক সকলকেই পড়া না পাড়লে এভাবেই মারধর করেন। এই অমানবিক ছবি দেখলে গা শিউরে উঠতে হয়। যাদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সিএন ডিজিটাল। এই ঘটনার পর থেকে সেই গৃহশিক্ষক আর পড়াতে আসেনি বলেই দাবি করেছে অন্যন্য ছাত্ররা। এদিকে ছাত্রটির বাবা ও পরিবার এই গৃহশিক্ষকের চরম থেকে চরমতম শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ঘটনাটির নিন্দা করেন বহুলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বীরবাহাদুর সিং।
সমাজ গড়ার দায়িত্ব যাদের হাতে, নতুন প্রজন্মকে সুন্দর করে গড়ে তোলার দায়িত্ব যাদের হাতে , সেই শিক্ষক যদি হিংসার আশ্রয় নেন, তাহলে পড়ুয়ারা কি শিখবে? কোন দিকে যাবে সমাজ? এমন নির্মমতার ছবি বারবার কেন দেখতে হয় ? সময়ের অবক্ষয়ের চিত্রটা বদলাবে কবে? উত্তর দেবে সময়।