২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় নাম নেই একই বুথের ৭ জনের। যাদের নাম বাদ পরেছে তাদের অভিযোগ প্রকৃত অর্থেই তারা ভারতীয়। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে। সঠিকভাবে ...
২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় নাম নেই একই বুথের ৭ জনের। যাদের নাম বাদ পরেছে তাদের অভিযোগ প্রকৃত অর্থেই তারা ভারতীয়। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে। সঠিকভাবে SIR- এর ফর্ম ফিলাপও করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও এইই বুথের ৭ জনের নাম কেন বাদ পড়ল তার সদুত্তর এখনও নেই।
ঘটনাটি ঘটেছে বাদুড়িয়ার চাতরা গ্রাম পঞ্চায়েত ১৫ নাম্বার বুথে ।যাদের নাম বাদ গেছে তাঁরা হলেন দুলাল মৃধা, ইয়ারুন বিবি, সোমা স্বর্ণকার, শিখা মণ্ডল, মিরা চক্রবর্তী, সহ মোট ৭ জনের নাম বাদ গেছে বলে অভিযোগ।
বাদ যাওয়ার তালিকায় লেখা রয়েছে ত খুঁজে পাওয়া যায়নি অনুপস্থিত (নিখোঁজ) ।
তাদের দাবি তারা রীতিমতো চিন্তিত । কেন তাদের নাম বাদ গেল তারা নিজেরাও বুঝতে পারছে না । ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম আছে তারা সবসময় বাড়িতে থাকে২০২৫ সালের লিস্টেও নাম রয়েছে কিন্তু তারপরেও কার গাফিলতিতে এরকম হলো ।
তবে এ ব্যপারে BLO অভিনব দত্তের দাবি , সমস্যা হয়েছে BDO অফিস এবং সার্ভার ডাউন এর জন্য।
তবে যে কারণেই হোক না কেন বিষয়টি নিয়ে এই ৭ টি পরিবারের রাতের ঘুম উড়েছে। আর রাজনৈতিক মহলে বেড়েছে তরজা।
এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কুমারেশ রায়। তিনি বলেন-যে কাজ করতে দু বছর সময় লাগে, সেই কাজ যদি এক মাসের মধ্যে হয় তাহলে এরকম ভাবেই প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ পড়বেই। পাল্টা বিজেপি নেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় বলেন আতঙ্কিত হওয়ার পর্য়োজন নেই , সমস্যার সমাধান হবে। তাঁর অভিযোগ তৃণমূল রাজনীতি করছে , তৃণমূলের ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটারই ভরসা তাই কান্নাকাটি শুরু করেছে।
কিন্তু রাজনৈতিক তরজা যতই থাকুক না কেন যে মানুষগুলির নাম বাদ গেছে তাদের নাম আদৌ পরবর্তী ক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় উঠবে কি না তা নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় রেয়েছেন বাদ বাদ যাওয়া ৭ ভোটার।