দাসপুরের চাঁইপাট বেলডাঙা গ্রামের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, এলাকারই রিতা আলুর মৃত্যুর পর তাঁর দেহ ক্লাবের ফ্রিজারে রেখে বিয়ে করতে গিয়েছেন তাঁরই পরিবারের সদস্য, স...
দাসপুরের চাঁইপাট বেলডাঙা গ্রামের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, এলাকারই রিতা আলুর মৃত্যুর পর তাঁর দেহ ক্লাবের ফ্রিজারে রেখে বিয়ে করতে গিয়েছেন তাঁরই পরিবারের সদস্য, সৌরেন আলু। সোমবার দুপু্রে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয় রিতার। আর মঙ্গলবার ছিল সৌরেনের বিয়ে। সম্পর্কে সৌরেনের জেঠিমা হয় রিতা। এই খবর জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়।
আরও জানা গিয়েছে যে, মৃতের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে এলাকারই একটি ক্লাব ঘরে ফ্রিজের মধ্যে রয়েছে রিতা আলুর মৃতদেহ। তবে পরিবারের সদস্যরা দাবি করছে যে, কষ্টকে বুকের মধ্যে আটকে রেখে বিয়েবাড়ির আয়োজন করতে হয়েছে। কারণ মৃতের ৬ মেয়েই বাইরে থাকে, আর ঠিক সেই কারণে ক্লাবের ফ্রিজারে রাখতে হয়েছে মৃতদেহ। বিয়ে বাড়ি থেকে কিছু দূরে ক্লাবে মৃতদেহ রাখা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে বলে খবর। ক্লাবের এক সদস্যের দাবি অবিলম্বে মৃতদেহ সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হোক। পাশাপাশি ক্লাবের তরফ থেকে থানায়ও এই বিষয় জানানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বাড়ির লোক জানিয়েছে যে, বুধবার মৃতের মেয়েরা আসলেই হবে মৃতদেহের সৎকার কাজ।