এবার গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হল প্যালেস্তাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে হামাসের তরফ থেকে জানানো হয়, 'হামাস মধ্যস্থতাকারীদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জমা দিয়েছে এবং...
এবার গাজায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হল প্যালেস্তাইনপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে হামাসের তরফ থেকে জানানো হয়, 'হামাস মধ্যস্থতাকারীদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জমা দিয়েছে এবং অবিলম্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে প্রস্তুত তারা।'
বিগত কয়েক মাস ধরে গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য ইজরায়েল এবং হামাসকে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প ৷ সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘাতে যুদ্ধবিরতির পর সেই চাপের মাত্রা আরও বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও আমেরিকা আগেই দাবি করেছিল, এই বিষয়ে রাজি হয়েছে ইজ়রায়েল। তারপরে হামাসকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হামাস ঘোষণা করেছে, তারা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অনুযায়ী, হামাসকে মোট ১০ জন জীবিত পণবন্দি ও ১৮ জন মৃতের দেহ ফিরিয়ে দিতে হবে। প্রথম দিনেই আটজন জীবিত পণবন্দী মুক্তি পাবে এবং বিনিময়ে কিছু প্যালেস্টাইন বন্দী ছাড়া হবে। মুক্তির ঘটনায় হামাস কোনো ধরনের আনুষ্ঠান বা উদযাপন করবে না। সূত্রের খবর, গাজায় ৫০ জন ইজরায়েলী পণবন্দি রয়েছেন। বদলে বেশ কয়েক জন প্যালেস্টাইনি বন্দিকেও ছাড়ার কথা নেতানিয়াহু প্রশাসনের। তবে কত জনকে ছাড়া হবে, তা এখনও নির্দিষ্ট করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে অক্টোবরে দক্ষিণ ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছিল হামাস। তাতে প্রায় ১২০০ জনের প্রাণ গিয়েছিল। বন্দি করা হয়েছিল ২৫০ জনকে। পাল্টা হামাসের উপর হামলা চালায় ইজরায়েল। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। কিন্তু মার্চেই আবার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা চালাতে শুরু করে ইজরায়েল। আর তাতেই ভেস্তে যায় ইজরায়েল-হামাস আলোচনা।