সোমবার বারাসতের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরজিকর কাণ্ডে নিহত কাদম্বিনীর বাবা ও মা। এদিন একাধিক অভিযোগ শোনা যায় তাদের গলায়। শিয়ালদহ আদালতে সওয়াল জবাবের পর রায়ের কপিকে পাত্তা দেয়নি সিবিআই। সাত মাস মা...
সোমবার বারাসতের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরজিকর কাণ্ডে নিহত কাদম্বিনীর বাবা ও মা। এদিন একাধিক অভিযোগ শোনা যায় তাদের গলায়। শিয়ালদহ আদালতে সওয়াল জবাবের পর রায়ের কপিকে পাত্তা দেয়নি সিবিআই। সাত মাস মামলা চলার পর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলা পাঠিয়ে দেওয়ার পর ৩ মাস কেটে গেলেও, ডিভিশন বেঞ্চে মামলা রেজিস্টার্ড হওয়ার পরও , এখনও শুনানি হয়নি।
ক্ষোভ কাদম্বীনির বাবার। এবং এই সবকিছুর জন্য তিনি সিবিআইয়ের কাছে কৈফিয়ৎ দাবি করেছেন। পাশাপাশি সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। কাদম্বিনীর বাবার দাবি সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে বলেছেন তিনি নিজে কোন তদন্ত করেননি। ফলে তিনি মনে করেন সিবিআইয়ের কাছ থেকে তাঁর প্রশ্নের জবাব তিনি পাবেন না, রাজ্য প্রশাসন তো দেবেই না, তাই মেয়ের হত্যার ন্যয় বিচারের জন্য আদালতের উপরই ভরসা রেখেছেন তিনি।
কাদম্বীনীর বাবা সাফ জানান ডিএনএ রিপোর্টে একাধিক ব্যক্তির উপস্থিত থাকার পরও একমাত্র সঞ্জয়কেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ডিএন রিপোর্টে পরিষ্কার উল্ল্যেখ রয়েছে একজন মহিলা সহ ৬ জন উপস্থিতি ছিলেন সেদিন। কাদম্বিনীর বাবার অভিযোগ লার্জার কন্সপিরেসি বলার পরেও সিবিআই তদন্ত করেনি। তিনি চান সঞ্জয়ের সঙ্গে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরকে গ্রেফতার করা হোক। তারাও সামনে আসুক। সিবিআইয়ের টিকি কোথাও বাধা আছে তাই তারা সঠিক তদন্ত করছে না।
অন্যদিকে কাদম্বীনির মায়ের বদ্ধমূল ধারণা তাঁর মেয়ের খুন ধর্ষণের সঙ্গে সন্দীপ ঘোষ ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। এরপাশাপ্শি স্বাস্ত্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচীবও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ কাদম্বীনির মায়ের। তাঁর মেয়ের সঙ্গে রাতে যারা ডিউটি করছিল তাদের ধরা না হলে এর সঠিক তদন্ত হবে না বলেও দাবি করেন তিনি। আরজিকরের মত ব্যস্ততম হাসপাতালে ডিউটিরত অবস্থায় তার সঙ্গে আরও ৪ জন থাকার পরও একজন এসে তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ ও খুন করে চলে গেল অথচ কাকপক্ষীতেও টের পেল না, এটা হতে পারে না বলেই মনে করেন কাদম্বীনির মা। মেয়েকে হারিয়ে এখন নিঃস্ব তারা। কিছু হারানোর ভয় আর তাদের নেই তাই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য বিচার না পেলে তা ছিনিয়ে আনা।