ফের উত্তপ্ত কৃপাখালি। দোষীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড় গ্রামবাসীরা। পুলিসের গাড়ি আটকে রেখে শুরু হয় ভাঙচুর। বাঁশ, লাঠি, জুতো হাতে রাস্তায় নামে বিক্ষোভকারীরা। এসডিপিও বারুইপুর অতীশ বিশ্বাসের গাড়...
ফের উত্তপ্ত কৃপাখালি। দোষীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড় গ্রামবাসীরা। পুলিসের গাড়ি আটকে রেখে শুরু হয় ভাঙচুর। বাঁশ, লাঠি, জুতো হাতে রাস্তায় নামে বিক্ষোভকারীরা। এসডিপিও বারুইপুর অতীশ বিশ্বাসের গাড়ি আটকে চলে বিক্ষোভ। চাপে পড়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় এসডিপিও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় ডোমকল থানার পুলিস।
পাশাপাশি, তৃণমূলের সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ। তাঁকে ঘিরে ওঠে \'গো ব্যাক স্লোগান\'। জানা গিয়েছে, নিহত নির্যাতিতার বিচারে দাবিতে আন্দোলনে নামেন গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার এসডিপিও বারুইপুর আসেন কৃপাখালি গরানকাটি এলাকায়। সেই জায়গায় তখন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল গ্রামবাসীরা। এলাকায় এসডিপিও-কে ঢুকতে দেখে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এমনকি তাঁকে চটি দেখানো হয় বলে অভিযোগ। সেই বিক্ষোভের চাপে পড়তেই এলাকা ছাড়েন এসডিপিও বারুইপুর অতীশ বিশ্বাস। বাধ্য হয়ে তিনি পায়ে হেঁটে চলে যান।
এরপর রাস্তার অপরদিক থেকে একটি মহিলা পুলিসের গাড়ি আসে অবরোধ স্থলে। সেই গাড়ির উপর ক্ষোভ উপরে পড়ে প্রথমে গাড়ির চাবি খুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তী সময় চাবি ফেরত দেওয়া হলেও সেই গাড়ির উপর ভাঙচুর চালান বিক্ষোভকারীরা।
প্রসঙ্গত, ১০ বছরের শিশুকে যৌন নিগ্রহ ও খুনের অভিযোগে রণক্ষেত্র কুলতলী। শুক্রবার রাতে একটি জলাভূমি থেকে উদ্ধার হয় ওই নাবালিকার দেহ। তারপর শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিবার ও গ্রামবাসীদের দাবি, নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। পুলিসের ভূমিকায় ওঠে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ। যদিও পুলিস সেই অভিযোগ মানেনি। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।