সংগীত জগতে নক্ষত্রপতন। আর তিনি তবলা স্পর্শ করবেন না। প্রয়াত উস্তাদ জাকির হোসেন। সংগীত শিল্পীর পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার ভোররাত্রে সান ফ্রান্সিসকোর এক হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি তবলাব...
সংগীত জগতে নক্ষত্রপতন। আর তিনি তবলা স্পর্শ করবেন না। প্রয়াত উস্তাদ জাকির হোসেন। সংগীত শিল্পীর পরিবার সূত্রে খবর, সোমবার ভোররাত্রে সান ফ্রান্সিসকোর এক হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করলেন কিংবদন্তি তবলাবাদক, সংগীত বিশেষজ্ঞ, অভিনেতা জাকির হোসেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। রবিবার হৃদজনিত কারণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। তারপর থেকে জাদুকর তবলাবাদকের প্রয়ানের খবর নিয়ে নানা বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিল সামাজিক মাধ্যমে। অবশেষে সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার ভোররাতে না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন তিনি । সংগীত শিল্পীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করলেন তাঁর পরিবার।
জাকির হোসেনের পরিবার সূত্রের খবর, বেশ কয়েকমাস ধরেই রক্তচাপ জনিত ও হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন শিল্পী। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দিলে সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা তাঁকে। সংগীত শিল্পীর পরিবারে পক্ষ থেকেও এই খবরটি তাঁর অনুগামীদের জন্যে জানানও হয়। তখন থেকেই দেশে বিদেশে জাকির হোসেনের সমস্ত ভক্তদের কাছে তাঁর দ্রুত আরোগ্যের জন্যে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার অনুরোধও করেন শিল্পীর পরিবার। তবু শেষ রক্ষা হল না। গুরুতর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়েই শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করতে হল বিশেষ তবলাবাদক উস্তাদ জাকির হোসেনকে। হাসপাতালে সূত্রের খবৱ, প্রথম থেকেই আইসিইউ তে ভর্তি ছিলেন জাদুকর শিল্পী। গুরুতর হার্টের সমস্যাও ধরা পড়েছিল। সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে এই বিশেষে তবলাবাদকের। জাকির হোসেনের প্রয়ানের খবরে শোকপ্রকাশ করেছেন তাঁর অনুগামী থেকে শুরু করে রাজনৌতিক মহল ও বিনোদন জগতের একাধিক তারকারা।
উলেখ্য, ১৯৫১ সালে জন্মগ্রহন করেন জাকির হোসেন। তাঁর পিতা উস্তাদ আল্লা রাখাও একজন বিশেষ তবলাবাদক ছিলেন। ছোট থেকেই তবলা বাজাতে ভালোবাসতেন শিল্পী। তবলাতে তাঁর বাবার কাছে হাতেখড়ি হয়েছিল জাকির হোসেনের। দেশে ছাড়াও আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গীত জগতে তিনি ছিলেন এক উজ্ব্বল নক্ষত্র। জাদুকর সংগীত শিল্পী জাকির হোসেনের প্রয়ানে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ।