রবিবার সন্ধ্যায় আচমকাই রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, দিঘায় ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গভীর শোকের ছায়া...
রবিবার সন্ধ্যায় আচমকাই রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, দিঘায় ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন তালসারিতে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে টলিপাড়ায়। শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েন রাহুলের পরিচিত, বন্ধু ও সহকর্মীরা। কিন্তু অভিনেতার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গতকাল রাত থেকেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। শুটিং চলাকালীন কীভাবে সবার সামনেই জলে তলিয়ে গেলেন রাহুল, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে জল্পনা।
অন্যদিকে ওড়িশা পুলিস সূত্রে বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। সেখানে জানান হয়েছে, গতকাল সমুদ্রে নেমে শুটিং করার অনুমতি নেওয়া হয়নি প্রোডাকশনের তরফে। পুলিসের অনুমতি ছাড়াই সেখানে শুটিং চলছিল। ফলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না অকুস্থলে। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, কেন পুলিসের অনুমতি ছাড়া অভিনেতাকে নিয়ে মাঝ সমুদ্রে নেমেছিল প্রোডাকশন টিম? পাশাপাশি শুটিং চলাকালীন কীভাবে সবার সামনেই তলিয়ে গেলেন রাহুল, কেন কেউ বাঁচাতে এগিয়ে গেল না তাঁকে? এমনই একাধিক প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন দিক থেকে।
সূত্রের খবর, গতকাল সন্ধ্যায় দুর্ঘটনা ঘটার পর মধ্যরাতে অভিনেতার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় তমলুক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আজ সেখানেই তাঁর ময়নাতদন্ত হবে। এরপর কলকাতায় নিয়ে আসা হবে অভিনেতার নিথর দেহ। ইতিমধ্যেই ওড়িশা পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিসও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ইউনিটের সমস্ত সদস্যকে। অন্যদিকে রাহুলের একাধিক সতীর্থ ইতিমধ্যেই সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে সমাজ মাধ্যমে সোচ্চার হয়েছেন। অভিনেতার মৃত্যু নিয়ে তাঁদের মধ্যেই জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকালে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও রাহুলের বাড়িতে গিয়েছিলেন, অভিনেতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে।