সময়টা তখন ৬০-এর দশক। বাংলা ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে রাজত্ব চালাচ্ছে মহানায়ক উত্তম কুমার। টলিপাড়ায় তখন শুধু একটা জুটি নিয়েই তোলপাড় দর্শক মহল। তবে, সেই সময়কার এক বিনোদনমূলক পত্রিকায় মহানায়ককে নিয়ে এমন এক খবর প্...
সময়টা তখন ৬০-এর দশক। বাংলা ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে রাজত্ব চালাচ্ছে মহানায়ক উত্তম কুমার। টলিপাড়ায় তখন শুধু একটা জুটি নিয়েই তোলপাড় দর্শক মহল। তবে, সেই সময়কার এক বিনোদনমূলক পত্রিকায় মহানায়ককে নিয়ে এমন এক খবর প্রকাশ পেয়েছিল যা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিনোদন জগত। অনুরাগীরা ভাবতেও পারবেন না তাঁর সঙ্গে ঘটেছিল এমন ঘটনা। কী এমন কান্ড ঘটেছিল যাঁর জন্য আজও গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠতে পারে কত শত উত্তম ভক্তের?
সালটা ছিল ১৯৬৩। সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখে ছিল উত্তমবাবুর স্ত্রী গৌরীদেবীর জন্মদিন। যথারীতি বাড়িতে হয়েছিল মহা আয়োজন। কিন্তু, সব কিছুর মাঝেই স্বামী-স্ত্রীয়ের মধ্যে হয়ে গেছিল বিশাল অশান্তি।কার্যত, কলহ সহ্য করতে না পেরে সেই রাতেই বাড়ি ছাড়া হয়েছিলেন উত্তমকুমার। গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। এমনকি, সেই প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গাড়ি নিয়ে সারারাত চষেছিল পুরো কলকাতা। গাড়িতেই কাটিয়েছিল সারারাত। আরও জানা যায় যে, পরদিন ভোর হতে না হতেই গাড়ি নিয়ে চলে গিয়েছিলেন সুপ্রিয়া দেবীর বাড়ি।
বলা ভালো, সেই সময়তে প্রশংসার শীর্ষে ছিল উত্তম-সুচিত্রা জুটি। তবে, প্রশংসায় যতই এই জুটি থাকুক না কেন সমালোচনার সময়ে নিন্দুকেরা অভিনেতার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন সুপ্রিয়া দেবীর নাম। এদিকে, সেই সময় অভিনেতার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছিলেন দাম্পত্য জীবনের অশান্তি ভুলে মহানায়ক কেবল কাজের প্রতি মনসংযোগ করতে চেয়েছিলেন। উত্তমের মতে, কাজই কেরিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ঘটনার সূত্র ধরে বলা যায়, সুপ্রিয়া দেবী তাঁর বায়োগ্রাফিতে জানিয়েছেন, উত্তমবাবু সেই ভোরে বলেছিলেন, ‘বেণু আমাকে একটু থাকতে দেবে? আমি শান্তি চাই।’ অসহায় উত্তমকে দেখে সুপ্রিয়াও আর কোনো প্রশ্ন করেনি, খুলে দিয়েছিল বাড়ির দরজা।