'জীনা হ্যায় তো হাসকে জিও'। তবে রবিবাসরীয় সকালে সংগীতজগতে নেমেছে শোকের ছায়া। প্রয়াত আশা ভোঁসলে। বুকে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মুম্বইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ৯২ বছ...
'জীনা হ্যায় তো হাসকে জিও'। তবে রবিবাসরীয় সকালে সংগীতজগতে নেমেছে শোকের ছায়া। প্রয়াত আশা ভোঁসলে। বুকে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন মুম্বইয়ের বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ৯২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী।
১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রে জন্ম। ১৯৪৮ সালে হিন্দিতে প্রথম গান। ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান আশা ভোঁসলে। ১৯৯৭ সালে গ্যামীর জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ সম্মান। ২০টি ভাষায় ১১ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে অন্যতম, ‘দিল তো পাগল হ্যায়, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’, ‘তুমসে মিলকে’ ইত্যাদি।
অবসান ঘটল সঙ্গীতের স্বর্ণযুগের। ১১ এপ্রিল শনিবার সন্ধ্যায় বুকে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর নাতনি শনিবার জাযান, “আমার ঠাকুরমা খুবই ক্লান্ত। ফুসফুসেও সংক্রমণ হয়েছে। তাই ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে। সবাইকে অনুরোধ, দয়া করে আপাতত আমাদের একা ছেড়ে দিন। আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান দিন।”
শিল্পীর পরিবার ও অনুরাগীরা আশা করেছিলেন, খুব তাড়াতাড়ি সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সঙ্গীতদুনিয়ার এক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে মমতা লেখেন, 'আমি শোকাহত। প্রজন্মের পর প্রজন্মের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন তিনি।'