দীর্ঘ দু-দশক পর ফের বাংলাদেশে ক্ষমতার মসনদে বিএনপি সরকার। আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে ভারতে...
দীর্ঘ দু-দশক পর ফের বাংলাদেশে ক্ষমতার মসনদে বিএনপি সরকার। আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এছাড়াও আমন্ত্রণ জানান হয়েছে চিন, পাকিস্তান-সহ মোট ১৩টি দেশের প্রধানদের। তবে আগামী মঙ্গলবার সেই বিশেষ অনুঠানে ভারতের হয়ে প্রধানমন্ত্রী আদৌ উপস্থিত থাকবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট করেনি নয়া দিল্লি।
মঙ্গলবার বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ হবে রাজধানী ঢাকায়। সেদিনই শপথ নেবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী-সহ দলের সমস্ত মন্ত্রীরা। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার। কারণ রীতি অনুযায়ী নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত আগের সরকারের হাতেই থাকে দেশের শাসন ভার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব।
বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানান হয়েছে, ভারত ছাড়াও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ডাকা হয়েছে পাকিস্তান, চিন, মলদ্বীপ, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রুনেই, কাতার, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং ভুটানের রাষ্ট্রপ্রধানদের। বিএনপি-র সঙ্গে আলোচনা করেই অন্তর্বর্তী সরকার এই তালিকা প্রস্তুত করেছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, হাসিনা সরকারের পতনের পর সে দেশের ক্ষমতা হস্তান্তর হয় ইউনূস সরকারের হাতে। কিন্তু তারপর থেকেই সংখ্যালঘু অত্যাচার সহ-একাধিক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটতে থাকে বাংলাদেশে। সেই সঙ্গেই ভারতের সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। এমতাবস্থায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তাঁর অন্ত্যেষ্টিতে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সময় থেকেই দুই দেশের কূটনৈতিক অবস্থা যে স্বাভাবিক হতে পারে তা আন্দাজ করা গিয়েছিল। এরপর তারেকের জয়ের পরেও শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মঙ্গলবার মোদী ঢাকায় যাবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট না। পরিবর্তে আমন্ত্রণ রক্ষা করতে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যেতে পারেন বলে খবর সূত্রের।