শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরই ইস্তফার সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির? এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ফোনে কথোপকথন হয়েছিল কিনা জানা না গেলেও পদত্যাগের জল্পনা সত্য হল। শুক্রবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহা...
শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরই ইস্তফার সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির? এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ফোনে কথোপকথন হয়েছিল কিনা জানা না গেলেও পদত্যাগের জল্পনা সত্য হল। শুক্রবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলেন। স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র তুলে দিলে এবং সেটি গ্রহণ করা মাত্র পদত্যাগ গৃহীত হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ চিকিৎসার জন্য ব্যাঙ্ককে ছিলেন। তিনি দুদিন আগেই দেশে ফিরে এসেছেন। শুক্রবার দুপুরে স্পিকার ঢাকায় পৌঁছান। বিকেল পাঁচটায় জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৩ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন দিন কয়েকের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন বলে জল্পনা ছিল। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে ইস্তফা দেওয়ার বার্তা দিয়েছে বলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল।