সরকারি পদে থেকে অসৎ কাজের অভিযোগে জন্মদিনের দিনই গ্রেফতার হয়েছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ অ্যান্ড্রু। অবশেষে দীর্ঘ ১২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিসি হেফাজত থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে। তবে পুলিসের ...
সরকারি পদে থেকে অসৎ কাজের অভিযোগে জন্মদিনের দিনই গ্রেফতার হয়েছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ অ্যান্ড্রু। অবশেষে দীর্ঘ ১২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিসি হেফাজত থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে তাঁকে। তবে পুলিসের জাল থেকে আপাততভাবে রেহাই পেলেও এখনই তদন্ত থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে না অ্যান্ড্রু-কে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত চলবে বলেই খবর সূত্রের।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে (ব্রিটেনের স্থানীয়) অ্যান্ড্রুর অস্থায়ী ঠিকানা সান্ড্রিংহাম প্রাসাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল অ্যান্ড্রুকে। ঘটনাচক্রে ওইদিনই ছিল তাঁর জন্মদিন। আর সেই দিনই তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেয় টেম্স ভ্যালি পুলিস। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সরকারি পদে থেকে অ্যান্ড্রু অসৎ কাজ করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। আর সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে এপস্টিন ফাইল সংক্রান্ত তদন্তে নেমেই ব্রিটেনের প্রাক্তন এই যুবরাজকে স্ক্যানারে নেওয়া হয়েছে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই বিষয়ে এখনই প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করতে চায়নি ব্রিটেন পুলিস।
বস্তুত, ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ আগাগোড়াই বিতর্কের শীর্ষে থেকেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভার্জিনিয়া জিওফ্রে নামের এক মহিলা যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেও মামলা করেছিলেন। এছাড়াও নাবালিকা মেয়েদের সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক তৈরি করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন তিনি। অন্যদিকে সদ্য প্রকাশিত এপস্টিন ফাইলে অ্যান্ড্রুর নাম জড়িয়েছে বলেও তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তাঁর দুটো আপত্তিকর ছবিও ফাঁস হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে বর্তমানে বেশ চাপের মুখেই রয়েছে দ্বিতীয় এলিজাবেথের তৃতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু।
অন্যদিকে এপস্টিন কেচ্ছায় অ্যান্ড্রুর নাম জড়ানোর পর থেকেই ব্রিটেনের রাজ পরিবার দূরত্ব তৈরি করেছে তাঁর থেকে। সেই সূত্রেই গত অক্টোবর মাসে ব্রিটেনের রাজপরিবারের তরফে অ্যান্ড্রুর খেতাব এবং সম্মাননা কেড়ে নেওয়া হয়। যদিও অ্যান্ড্রুর গ্রেফতারির ঘটনায় যথেষ্ট 'উদ্বেগ' প্রকাশ করেছেন রাজা চার্লস।