ইরানকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সময় মঙ্গলবার রাত আটটা। তার মধ্যে হরমুজ প্রণালী না খুললে ইরানের ঠাঁই নরকে হবে বলে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট কর...
ইরানকে ডেডলাইন বেঁধে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সময় মঙ্গলবার রাত আটটা। তার মধ্যে হরমুজ প্রণালী না খুললে ইরানের ঠাঁই নরকে হবে বলে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রবিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন ট্রাম্প। পোস্টে আপত্তিকর শব্দের প্রয়োগ করে ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। লেখেন, “… প্রণালীটা খুলে দে, পাগল … কোথাকার, নইলে তোদের নরকে ঠাঁই হবে। আল্লাহকে ডাক!’’ ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে তেহরানকে।
যদিও ইরান ট্রাম্পের হুমকির তোয়াক্কা না করেই ট্রাম্পের মানসিক স্থিতি নিয়ে পাল্টা বলেন। ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেন, ইরানকে ভয় দেখানো অত সহজ নয়। সতর্ক করেন যে ট্রাম্প গোটা দেশকে জোর করে বিপর্যয়ের মধ্যে টেনে আনছেন। ইরান কোনও হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। আমেরিকা যা করছে, তা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।
ট্রাম্পের হুমকি পোস্টের মধ্যেই জয়শংকরকে ফোন করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু’জনের মধ্যে। এছাড়াও ভারত এবং ইরানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করেছেন। তারপরে কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রধানদের সঙ্গে কথা বলেন জয়শংকর। প্রথম থেকেই যুদ্ধ বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর বার্তা দিয়েছে ভারত। ট্রাম্প ডেডলাইন বেঁধে দেওয়ার পরে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ দুই পক্ষের সঙ্গেই ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
বিগত ছয় সপ্তাহ ধরে চলা ইরান-আমেরিকার যুদ্ধে ক্রমে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রথম মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে ইরান। ইজরায়েলের বন্দর থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, জ্বালানি ও পাওয়ার প্ল্যান্টগুলিতে আছড়ে পড়েছে মিসাইল। তবে সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলেছে ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত। গুরুত্বপূর্ণ এই রুট বন্ধ করায় গোটা বিশ্বেই তেল ও জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়েছে।