বেহালায় ভবানীপুরের পর এবার বেহালা। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন কালীঘাট-ভবানীপুর চত্বরে বিজেপি বনাম তৃণমূলের স্লোগান পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ওই ঘটনার পরিপ...
বেহালায় ভবানীপুরের পর এবার বেহালা। শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন কালীঘাট-ভবানীপুর চত্বরে বিজেপি বনাম তৃণমূলের স্লোগান পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কলকাতা পুলিসের ডিসি পদমর্যাদার এক আধিকারিক-সহ আলিপুর থানার ওসি ও অ্যাডিশনাল ওসি-কে সাসপেন্ড করে। এমতাবস্থায়, বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চলল। এবং, এই ঘটনায় তৃণমূলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ পর্ণশ্রী থানায় তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন।
রবিবার সন্ধে-রাত থেকেই তেতে ওঠে পর্ণশ্রী চত্বর। থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। দাবি, রত্না চট্টোপাধ্যায় তখন থানার ভিতরেই ছিলেন। বিজেপির তরফে পার্টি অফিস ভাঙচুরের ফুটেজ দেওয়া হয় পুলিসকে।
ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন কালীঘাট-গোপালনগর চত্বর জুড়ে শাসক ও বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তুমুল গন্ডগোল বাধে। প্রশ্ন ওঠে পুলিসের ভূমিকা নিয়ে। এমতাবস্থায়, শনিবার শাস্তির খাঁড়া নেমে আসে সংশ্লিষ্ট থানার আধিকারিকদের মাথার উপর। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় কলকাতা পুলিশের চারজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। সেইসঙ্গে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও। এই তালিকায় রয়েছেন কলকাতা দক্ষিণের ডিসি-২ সিদ্ধার্থ দত্ত, আলিপুর থানার ওসি প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী ও অ্যাডিশনাল ওসি চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সার্জেন্ট সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে। দ্বিতীয় দফায় সিইও দফতরের সামনে নজিরবিহীন গন্ডগোল সামলাতে ব্যর্থ হওয়ার সরানো হল হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসি-কে। সরানো হল চেতলা থানার ওসি-কেও। কমিশন ও লালবাজার সময় বেঁধে দিয়েছিল, প্রত্যেকটি থানার এক্তিয়ারভুক্ত এলাকায় থাকা ক্রিমিনাল লিস্ট টাঙিয়ে জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্দেশ পালন করতে না-পারায় সাসপেন্ড করা হল কসবা থানার ওসিকে।