দ্বিতীয়বার ক্ষমতার মসনদে এসেই একাধিক দেশের পণ্যের উপর 'ইচ্ছেমত' শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই শুল্ক আরোপ বেআইনি বলে রায় দিল মার্কিন শীর্ষ আদালত। যদিও আদালতের সেই ঘোষণ...
দ্বিতীয়বার ক্ষমতার মসনদে এসেই একাধিক দেশের পণ্যের উপর 'ইচ্ছেমত' শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই শুল্ক আরোপ বেআইনি বলে রায় দিল মার্কিন শীর্ষ আদালত। যদিও আদালতের সেই ঘোষণায় নিজের সিদ্ধান্ত থেকে পিছপা হননি ট্রাম্প। উল্টে আদালতের সমালোচনা করে আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, মার্কিন আদালতের রায়ের পর কী শুল্ক বাবদ আয়ের টাকা ফিরিয়ে দিতে হবে মার্কিন প্রশাসনকে? যদিও এই কাজ সহজ হবে না বলে মনে করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা।
তবে ট্রাম্পের শুল্ক নীতিকে বেআইনি বলে রায় দিলেও মুনাফার টাকা ফেরতের বিষয়টি স্পষ্ট করেনি আমেরিকার আদালত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা আগামী দিনে নিম্ন আদালতগুলি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি আমেরিকার বাণিজ্য আদালতের উপরেও বিষয়টি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া মোটেই সহজ হবে না বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। তাঁদের মতে, যাঁরা ট্রাম্প প্রশাসনকে শুল্কবাবদ দেওয়া টাকা ফেরত চান, তাঁদের মামলা দায়ের করতে হবে আদালতে। অর্থাৎ আইনি প্রক্রিয়ায় মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া সম্ভব। অন্যদিকে এই মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। হাজারের বেশি সংস্থা টাকা ফেরতের লড়াই শুরু করেছে বলে খবর সূত্রের।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশের পরেই ট্রাম্পের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণার নেপথ্যে অর্থনৈতিক চাল রয়েছে বলেও মনে করছেন অনেকে। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ১২২ নম্বর ধারার অধীনে আরোপিত স্বাভাবিক শুল্কের উপরে ১০ শতাংশ আন্তর্জাতিক শুল্ক তিনি আরোপ করছেন। এরপরেই শুল্ক আরও বাড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।