দীর্ঘ দু-দশক পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিএনপি সরকার। তবে নির্বাচনে জিতলেও এখনই সরকার গড়তে পারবেনা ধানের শীষ শিবির। কারণ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাত থেকে নতুন সর...
দীর্ঘ দু-দশক পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ফের ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিএনপি সরকার। তবে নির্বাচনে জিতলেও এখনই সরকার গড়তে পারবেনা ধানের শীষ শিবির। কারণ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাত থেকে নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। মূলত বাংলাদেশের সংবিধানের কারণেই উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী সোমবারের আগে নব নির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ সম্ভব না।
বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম অন্তর্বর্তী সরকারের সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের সোমবার অথবা মঙ্গলবার নতুন সরকার গঠিত হতে পারে বাংলাদেশে। সংসদ সদস্য-সহ নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যেরা প্রত্যেকে একই দিনে শপথ নেবেন। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি। কিন্তু ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করার তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এই অবস্থায় দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরউদ্দিন'কে দিয়েই শপথ পাঠ করানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর তরফেও কোন বিকল্প প্রস্তাব আসে কিনা, তাও বিবেচনা করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়। এরপর ভোটগ্রহণ শেষে ওইদিন সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় গণনা। এরপর শুক্রবার গণনাশেষে দেখা গিয়েছে, ২১২টি আসনে জিতেছে বিএনপি। জামাত এবং তার জোট শরিকেরা পেয়েছে ৭৭টি আসন। বাকি আটটি আসন গিয়েছে অন্যদের ভাগে। শুক্রবার ২৯৭টি আসনের ফল প্রকাশ করা হলেও দুটি আসনের ফল ঘোষণা থেকে বিরত থাকে কমিশন।