অবশেষে হরমুজ প্রণালী থেকে 'নিষ্কৃতি' পেল ভারতের দুটি জাহাজ—শিবালিক এবং নন্দাদেবী। ওই দুটি জাহাজেই এলপিজি মজুত রয়েছে বলে খবর, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া সূত্রে। ফলে খুব শীঘ্রই জ্বালানি সংক্রান্ত সংকট ম...
অবশেষে হরমুজ প্রণালী থেকে 'নিষ্কৃতি' পেল ভারতের দুটি জাহাজ—শিবালিক এবং নন্দাদেবী। ওই দুটি জাহাজেই এলপিজি মজুত রয়েছে বলে খবর, শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া সূত্রে। ফলে খুব শীঘ্রই জ্বালানি সংক্রান্ত সংকট মিটবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
জানা যাচ্ছে, জাহাজ দুটো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। অন্যদিকে আরও একটি পণ্যবাহী জাহাজ পূর্ব এশিয়া থেকে হরমুজ পেরিয়ে আফ্রিকায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতের ওই জাহাজ গুলো যেন সফলভাবে হরমুজ পার করতে পারে, তার দিকে বিশেষ নজর রেখেছে নয়া দিল্লি। আলোচনা চলছে তেহরানের সঙ্গেও। উল্লেখ্য, এই তিনটি জাহাজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারলেও এখনও হরমুজে আটকে রয়েছে ভারতের একাধিক জাহাজ। তবে সেগুলোকেও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে ইরানের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শুরু করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।
সূত্রের খবর, ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া শিবালিক জাহাজে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি। একইভাবে নন্দাদেবীতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এলপিজি। অন্য দিকে, পূর্ব এশিয়া থেকে একটি ভারতীয় জাহাজ জগপ্রকাশ, হরমুজ পেরিয়ে আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আর তাতেও রয়েছে প্রচুর গ্যাসোলিন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন নরেন্দ্র মোদী। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবার কথা হয় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। সেখানে যুদ্ধ পরিস্থিতি, সাধারণ মানুষের ওরানহানি ও সম্পদ ধ্বংসের কথা উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সে দেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্য ও জ্বালানি পরিবহণের পথ নিরবচ্ছিন্ন রাখাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি। এরপরেই ভারতে ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি জানান, হরমুজ দিয়ে ভারতগামী কোনও জাহাজকে যাতায়াতে আর বাঁধা দেওয়া হবে না। তাঁর কথায়, 'ভারত এবং ইরান বন্ধু। আমরা তাতে বিশ্বাস করি।'