এবার ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ অ্যান্ড্রু-কে গ্রেফতার করল পুলিস। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে (ব্রিটেনের স্থানীয়) অ্যান্ড্রুর অস্থায়ী ঠিকানা সান্ড্রিংহাম প্রাসাদ থে...
এবার ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ অ্যান্ড্রু-কে গ্রেফতার করল পুলিস। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে (ব্রিটেনের স্থানীয়) অ্যান্ড্রুর অস্থায়ী ঠিকানা সান্ড্রিংহাম প্রাসাদ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। নেপথ্যে এপস্টিন ফাইল সংক্রান্ত কেচ্ছা জড়িত বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে অ্যান্ড্রু যে যোগাযোগ ছিল, তা কয়েক বছর আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তবে যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনায় ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজের হাত কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল তা বর্তমানে তদন্তস্বাপেক্ষ।
ঘটনাচক্রে অ্যান্ড্রু গ্রেফতারির দিনই তাঁর ৬৬-তম জন্মদিন ছিল। আর সেই দিনিই তাঁকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেয় টেম্স ভ্যালি পুলিস। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সরকারি পদে থেকে অ্যান্ড্রু অসৎ কাজ করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আর সেই অভিযোগের সত্যতা করতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে এপস্টিন ফাইল সংক্রান্ত তদন্তে নেমেই ব্রিটেনের প্রাক্তন এই যুবরাজকে স্ক্যানারে নেওয়া হয়েছে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই বিষয়ে এখনই প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করেনি ব্রিটেন পুলিস।
প্রসঙ্গত, ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ আগাগোড়াই বিতর্কের শীর্ষে থেকেছেন। তাঁর ভার্জিনিয়া জিওফ্রে নামের এক ভদ্রমহিলা যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেও মামলা করেছিলেন। এছাড়াও নাবালিকা মেয়েদের সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক তৈরি করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছেন তিনি। অন্যদিকে সদ্য প্রকাশিত এপস্টিন ফাইলে অ্যান্ড্রুর নাম জড়িয়েছে বলেও তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তাঁর দুটো আপত্তিকর ছবিও ফাঁস হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে বর্তমানে বেশ চাপের মুখেই রয়েছে দ্বিতীয় এলিজাবেথের তৃতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু।