একসময়ে ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মধ্যে দিয়ে বিধ্বস্ত অবস্থা হয় পাকিস্তানের। নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদের সম্পর্কের বড়সড় অবনতি হতে থাকে। তারই মধ্যে আমেরিকার সঙ্গে 'বন্ধুত্বপূর্ণ' সম্পর্ক তৈরি হয়েছে পাকিস...
একসময়ে ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানের মধ্যে দিয়ে বিধ্বস্ত অবস্থা হয় পাকিস্তানের। নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদের সম্পর্কের বড়সড় অবনতি হতে থাকে। তারই মধ্যে আমেরিকার সঙ্গে 'বন্ধুত্বপূর্ণ' সম্পর্ক তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের। ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির প্রসঙ্গ নিয়েই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম মনোনীত করেছিল ইসলামাবাদ। সূত্রের খবর, এই আবহে ট্রাম্পের নির্দেশে নাকি গাজায় শান্তিরক্ষার স্বার্থে নিজেদের সেনা পাঠাবে পাকিস্তান! এমনই জল্পনা-গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে খবরটি আদৌ কতটা সত্যিই তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে আপাতত পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কিছু জানান হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি গাজায় শান্তি ফেরাতে তৎপর ভূমিকা পালন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামাস-ইজরয়েল সংঘাত একসময়ে চরম আকার ধারণ করেছিল। ট্রাম্পের নির্দেশে ও মধ্যস্থতায় হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধবিরতি হলেও পরবর্তীতে দুই পক্ষেরই বিরুদ্ধে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল আন্তর্জাতিক মহলে। এরই মধ্যে ট্রাম্পের নির্দেশে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পাঠানোর খবর বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে রীতিমত আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বলাবাহুল্য, লেবানন, ইয়েমেন সহ একের পর এক মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলির উপর ইজরায়েলের হামলা চালানোর ঘটনা সামনে আসে। ঠিক সেসময় পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সমস্ত মুসলিম দেশগুলিকে একজোট হয়ে লড়াই করার বার্তা দিয়ছিলেন।
প্রসঙ্গত, হামাস-ইজরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে আগেই ২০ দফা প্রস্তাবের কথা ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে গাজাকে পুরোপুরি সন্ত্রাসবাদীদের কবল থেকে মুক্ত করে সংঘৰ্ষবিরতির কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে নতুন সরকার গড়ে তোলার কথাও বলা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন প্রস্তাবকে ইজরায়েল সমর্থন করলেও হামাসের পক্ষ থেকে গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রথমে সেভাবে কিছু জানান হয়নি। পরবর্তীতে জানা যায় ট্রাম্পের সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করা হয়েছে হামাসের পক্ষ থেকে। এরই মাঝে সংঘৰ্ষবিরতি চুক্তিতে সই করেছে হামাস-ইজরায়েল!