প্ৰাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজ, সোমবার রায় ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। মোট পাঁচটি অপরাধের ভিত্তিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের র...
প্ৰাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজ, সোমবার রায় ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। মোট পাঁচটি অপরাধের ভিত্তিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের প্রাক্তন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। রাজসাক্ষী হওয়ায় সাজা মকুব হয়েছে পুলিসের প্রাক্তন আইজি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের। তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন আদালতে ফাঁসির ঘোষণার পাশাপাশি হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের বাংলাদেশে থাকা সমস্ত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবং সেই বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি জুলাই আন্দোলনে মৃত ও আহতদের পরিবারে প্রদান করা হবে জানান হয়েছে।
এদিন ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ে মোট ছয়টি অংশ রয়েছে। রায়ে ট্রাইবুনাল বলে, শেখ হাসিনা-সহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। রায়দানের সময় আদালত কক্ষে আইনজীবীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জুলাই আগস্টে নিহতদের পরিবারের সদস্যরাও। যদিও আদালতের ঘোষণাকে 'পক্ষপাতদুষ্ট' বলে পালটা দাবি করেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর কথানুযায়ী, আদালতের এই রায় একটি অনির্বাচিত সরকারের অধীনস্থ অবৈধ ট্রাইবুনালের তরফে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের রায়ও প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। হাসিনার দাবি, যে সব বর্ষীয়ান আইনজীবী বা বিচারপতি কোনও না কোনও সময় প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষ নিয়েছিলেন, তাঁদের সকলকে হয় এক এক করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অথবা ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। বেছে বেছে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের সদস্যদেরই কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে।
আজ মৃত্যুদণ্ডের পরে ক্ষতিপূরণ নিয়ে ট্রাইবুনাল নির্দেশ দিয়েছে, যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নামে থাকা সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তা রাষ্ট্রীয় মালিকানার আওতায় আনতে হবে। এবং তা আবু সাঈদ-সহ সমস্ত শহিদদের পরিবারে বন্টন করতে হবে।